পটুয়াখালীতে এএসআইকে মারধর করায় ক্ষমতাসীন দলের ২ নেতা গ্রেপ্তার

পটুয়াখালী সংবাদদাতা॥ পটুয়াখালীর দুমকি থানার এএসআই মোঃ আউয়াল হোসেনকে থানার ভিতরেই মারধর করায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আবুল বাশারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত বাশার মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাধারণ সম্পাদক ও দুমকি উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান মো. হারুন-অর-রশিদ হাওলাদারের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে দুমকি থানার ডিউটি অফিসারের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
এএসআই মোঃ আউয়াল হোসেন জানান, দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের জলিসা গ্রামের মো. জালাল শরীফ নামের এক ব্যক্তি সকাল ১০টার দিকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আবুল বাশার নামের এক ব্যাক্তি তার জমিতে জোর পূর্বক বসতঘর তুলছে। বাদীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে জমির মূল মালিক একই গ্রামের আব্দুল জব্বারের কাছে মোবাইলে জানতে চান তিনি (আউয়াল)। খবর পেয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সম্পাদক আবুল বাশার মোটরসাইকেল যোগে দুই সহযোগীসহ দুমকি থানায় হাজির হয়ে এএসআই আউয়ালকে গালমন্দ করতে থাকে। পুলিশ কর্মকর্তা আউয়াল এর প্রতিবাদ করলে বাশার হঠাৎ দৌড়ে এসে কিল-ঘুষি দেয়। এতে পুলিশ কর্মকর্তার জামা ছিড়ে যায় এবং আহত হন। হতবিহবল এএসআই আউয়াল বাশারকে আটক করে ওসি’র কক্ষে নিয়ে যায়। আউয়াল আরো বলেন, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা বাশার থানায় ঢুকেই বলতে থাকেন ওর মতো দারোগার সাথে কি কথা বলবো। আমি কথা বলবো এসপি, ডিআইজি ও আইজিপির সাথে। ওরে দেখে নেব বলেও হুমকি দেন বাশার।
থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান জানান, আমি একটি জরুরী মিটিংয়ে আছি। তাই আপনার সাথে পরে কথা বলবো বলে সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করেন।
থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. হেমায়েত উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি থানার বাইরে আছি। এএসআই আউয়াল বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। বাশার থানাই রয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিষয়টি জানার জন্য পটুয়াখালী পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান’র সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।