নেতাদের খুশি ও শূন্য ফান্ড পূর্ণ’র জন্য অধ্যক্ষের সাধারন শিক্ষার্থীদের বলি

পরিবর্তন ডেক্স॥  ছাত্রলীগ নেতাদের খুশি ও শূন্য কলেজ ফান্ড পূর্ন করে বন্টনের জন্য ফরম পূরনের বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কলেজ অধ্যক্ষ অসাধু শিক্ষক ও কতিপয় ছাত্রলীগ নেতার সহযোগিতায় নির্ধারিতর চেয়ে অন্তত ৭০০ টাকা বেশি নেয়া হচ্ছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্র নিশ্চিত করেছে। ওই সুত্র দাবি করেছে, অধ্যক্ষ অসাধু শিক্ষক ও কতিপয় ছাত্রলীগ নেতার সুবিধার জন্য মাসুল দিচ্ছে বিএম কলেজের সাধারন শিক্ষার্থীরা। আন্দোলরত শিক্ষার্থীদের কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতাদের বাধা দেয়ার পর ঘটনাটি প্রকাশ পেয়েছে বলে সুত্র জানিয়েছে।
কলেজের বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটে টাকা বাড়ানোর কোন নির্দেশনা নেই। শুধু বিএম কলেজে ৪র্থ বর্ষের ১৮ বিষয়ের চুড়ান্ত পরীক্ষার ফরম পূরনে জন্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত টাকার তুলনায় ৪০০ – ৭০০ টাকা বেশি নির্ধারন করা হয়েছে। বেশি টাকা আদায় করার কোন বৈধ বা ভিন্ন খাত নেই। এই টাকা বাড়ানো হয়েছে পূর্ব নির্ধারিত খাতে। তাই আন্দোলনে নেমেছে শিক্ষার্থীরা।
অধ্যক্ষ ফজলুল হকের পক্ষে বিএম কলেজ ছাত্রলীগের কতিপয় বিতর্কিত নেতারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বাধা দিতে এলে বেড়িয়ে আসে নেপথ্যের রহস্য।
সূত্র জানায়, কলেজ ফান্ড বর্তমানে শুণ্যাবস্থায় রয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগের প্রতি নেতাদের সুপারিশে ১৫/২০ ছাত্রের টাকা মওকুফ করতে হবে। এই কারনে বিএম কলেজের কতিপয় ছাত্রলীগ নেতারা ও কিছু অসাধু শিক্ষকদের সহযোগিতায় অধ্যক্ষ এই বর্ধিত টাকা নির্ধারন করেছে। তবে এই টাকা শুধুমাত্র অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের জন্য। যারা রাজনীতি করে বা রাজনৈতিক নেতাদের ¯েœহধন্য তাদের জন্য এই বর্ধিত টাকা নেয়া হবে না। বিএম কলেজের এক নেতা কিছু ছাত্রদের টাকা মওকুফের জন্য অধ্যক্ষ ফজলুল হকের কাছে গিয়েছিলেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, ফজলুল হক স্যারের কাছে টাকা মওকুফের জন্য গেলে তিনি বলেন কলেজ ছাত্রলীগ নেতাদের ¯েœহধন্য ২০ ছাত্রকে ৫০০ – ৮০০ টাকা পর্যন্ত মওকুফ করে দেয়া হবে। তবে সাধারন শিক্ষার্থীদের বিষয়টি তিনি অস্পস্টই রেখেছেন। অভিযোগে আরো বলা হয়, এই বর্ধিত টাকা কলেজ তহবিলে রাখা হবে এবং ভবিষ্যত তা বৈধ প্রক্রিয়ায় নেতাদের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ দেখিয়ে বন্টন করা হবে।
অধ্যক্ষ ফজলুল হক বলেন, সকল অভিযোগ মিথ্যা। বিএম কলেজ এখন আগের মত নেই। কলেজে প্রায়ই রাস্ট্রীয় অতিথিরা আসেন এবং এছাড়াও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক খরচ আছে। যে কারনে এই টাকা নেয়া হচ্ছে। নেতাদের ¯েœহধন্যদের টাকা কমানোর বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বিকেলে মিটিং হয়েছে সেখানে ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে বসে ১৫০-২০০ টাকা সকলের জন্যই কমানো হয়েছে।