নিস্ক্রিয় বরিশাল মহানগর যুবদলের নতুন কমিটির গুঞ্জন

জুবায়ের হোসেন॥ বরিশাল মহানগর শাখা যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের গুঞ্জন উঠেছে। সংগঠনটি গোছানোর প্রয়োজনীয়তায় ও আন্দোলন সংগ্রামে ভূমিকা পালনের জন্য কমিটি গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।  কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের অল্প সময়ের মধ্য মহানগর কমিটি হবে বলে জানিয়েছে একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র।
এছাড়াও নিস্ক্রিয় যুবদলকে সক্রিয় করতে তৃনমুলের দাবি কমিটি গঠন জোরালো হয়েছে বলে জানিয়েছে সুত্র। একই সাথে যুবদল কমিটিতে সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক পদের জন্য কিছু নেতাদের নাম উঠে এসেছে।
মহানগর যুবদলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র ও একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মীরা জানায়, প্রায় চার বছর আগে মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়া উদ্দিন সিকদারকে আহবায়ক ও ৬ জন যুগ্ম আহবায়ক মহানগর যুবদলের আহবায়ক কমিটি করেন। একই সময় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সভাপতি হিসেবে রফিকুল ইসলাম শাহীন ও সাধারন সম্পাদক আক্তারুজ্জামান শামীমের নাম ঘোষনা করেন। এই কমিটি বৈধ হলেও নেতাদের কোন কার্যক্রম ছিল না। তারা পদ পাওয়া পর্যন্ত নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখেছেন। দলীয় কোন কর্মসূচী অথবা আন্দোলন সংগ্রামে তাদের অংশগ্রহন ছিল না।
অপরদিকে পুরো সময় দলের হাল ধরেছেন যুবদলের মহানগরের আহবায়ক ২৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউদ্দিন সিকদার। তার সহযোদ্ধা হিসেবে ছিলেন ১৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মীর জাহিদুল কবির জাহিদ। এই দুই নেতাকে মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হিসেবে মূল দলসহ তৃনমুলের নেতাকর্মিদের দাবী ছিলো। কিন্তু জেষ্ঠ্য নেতাদের রাজনৈতিক বিভক্তির কারনে সে সময় তা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি।
সেই বিভক্তি দুর হওয়ায় মহানগর যুবদলকে সক্রিয় করার তাগিদ উঠেছে। নতুন যুবদল কমিটিতে সভাপতি পদে জিয়া উদ্দিন সিকদার ও সাধারন সম্পাদক পদে মীর জাহিদকে চায় তৃণমূলের নেতারা। এছাড়াও যুুবদলের সাধারন সম্পাদক পদের জন্য যুগ্ম আহবায়ক মাহফুজুর রহমান মাফুজ, আলাউদ্দিন আহম্মেদ ও কামরুল হাসান রতনের নাম উঠেছে।
এ বিষয়ে মহানগর বিএনপির সভাপতি এ্যাড. মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, অবশ্যই কেন্দ্রীয় যুবদলের কমিটি গঠনের পর মহানগর যুবদলের কমিটি করা হবে। পূর্বের আহবায়ক কমিটি বৈধতা পায়নি তাই তাদের কার্যক্রম কিছুটা দূর্বল ছিলো জানিয়ে এ্যাড. সরোয়ার বলেন, তবুও ওই কমিটির নেতারা রাজপথে ছিলো। বৈধ যে মহানগর যুবদল কমিটিটি করা হয়েছিল তার কোন নেতা কর্মীরাই রাজপথে ছিল না।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি বরিশালের ছেলে তাই তার উচিত ছিল সকলকে নিয়ে একত্রিত ভাবে কমিটি করা। বর্তমান কমিটিতে পূর্বের ত্যাগিরা অগ্রাধিকার পাবে কিনা এই প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও এমন বলেন, এমন কোন বিষয় নেই। যুবদলের অনেকেরই বয়স হয়ে গেছে। ছাত্রদলের মধ্যে থেকেও এবার অনেকেই তাদের বয়সের ভিত্তিতে যুবদলের কমিটিতে আসতে পারে। সবই হবে কিন্তু তা কেন্দ্রীয় যুবদল কমিটি গঠনের পর।