নিষিদ্ধ পলিথিন মজুদ রাখায় ৭ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকায় পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত সাত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সাড়ে ৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। গতকাল মঙ্গলবার পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী হাকিম হিসেবে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আ. রউফ মিয়া জরিমানা আদায়ের নির্দেশ দেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক সুকুমার বিশ্বাসের পরিচালনায় ভ্রাম্যমান আদালতকে সহায়তা করে জ্যেষ্ঠ রসায়নবিদ কাজী সুমন, জ্যেষ্ঠ যন্ত্রবিদ মো. আব্দুল মালেক মিয়া, পরিদর্শক মোঃ তোতা মিয়া ও পুলিশ।
পরিচালক সুকুমার বিশ্বাস জানান, সরকার পলিথিন শপিং ব্যাগ বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুত, বিতরণ, উৎপাদন, আমদানি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বাজারজাতকরণ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। পলিথিন শপিং ব্যাগের বিকল্প ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, বাজারকরণ, মজুদ ও ব্যবহার বন্ধে প্রচার, জনসংযোগ ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার জন্য সরকার টাস্কফোর্স-৮ গঠন করেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালককে আহবায়ক এবং সহকারী পরিচালককে সদস্য সচিব করে গঠন করা টাস্ক ফোর্স-৮ এর সদস্যরা হলো-জেলা প্রশাসনের, পুলিশের, সিভিল সোসাইটির, গণমাধ্যমের এবং সিটি কর্পোরেশনের একজন করে প্রতিনিধি।
ওই টাস্কফোর্স নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ উৎপাদন, আমদানি, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন, মজুত, বিতরণ, বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে পরিবহন বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার অপরাধে নবগ্রাম রোডের সোনা মিয়ার পোল এলাকার সাত ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান পরিচালনাকারীদের কাছ থেকে সাড়ে ৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এর মধ্যে মেসার্স চান স্টোর থেকে ২ হাজার টাকা, মেসার্স মন্টু স্টোর, মেসার্স রাজ্জাক স্টোর, মেসার্স সাইফুল স্টোর, মেসার্স জলিল স্টোর, মেসার্স জাকির স্টোর, মেসার্স আশরাফ স্টোর ও মেসার্স খান স্টোর থেকে এক হাজার টাকা করে এবং মেসার্স ননি স্টোর ও মেসার্স কসমেটিক্স কর্নার থেকে ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ সময় আনুমানিক সাড়ে ৬ কেজি পরিমান নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। পরে তা নির্বাহী হাকিমের নির্দেশে ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়াও পলিথিন শপিং ব্যাগ ব্যবহার প্রতিরোধে জনসচেতনামূলক স্টিকার সেঁটে দেয়া হয়েছে।