নলছিটিতে শিক্ষকের কাছে না পড়ায় নম্বর কর্তনের অভিযোগ

নলছিটি প্রতিবেদক॥ নলছিটি সূর্যপাশা ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসার জুনিয়র গনিত শিক্ষক মোঃ মোফাজ্জেল হোসেন তালুকদার (৫৬) টাকার বিনিময়, প্রাইভেট পড়ার সুবাদে, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পরীক্ষার খাতায় উর্ত্তীন নম্বর বেশী কম দেওয়ার এন্তার অভিযোগ উঠেছে।
সূর্যপাশা দাখিল মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সূত্রে জানা যায়, ৮ম শ্রেণীর গণিত শিক্ষক মোফাজ্জেল হোসেন ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাইভেট পড়ার জন্য বাধ্য করেন, যদি প্রাইভেট না পড়ে এবং তার শর্তে রাজি না হয়। তাহলে পরীক্ষার খাতায় যতই ভাল লিখুক, কোন লাভ নাই। তার পাশ করতেই মুশকিল হয়। এমনই এক পরিস্থিতির শিকার সূর্যপাশা গ্রামের মোঃ ইদ্রিস আলীর ৮ম শ্রেণী পড়–য়া মেধাবী মেয়ে মিস সুরাইয়া আক্তার মুক্তা।
জানা যায়, ২০১৪ সালের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় ৮ম শ্রেণীর গণিত খাতায় এমন অভিযোগ উঠলে এর সত্যতা মিলে। প্রাপ্ত নম্বর কমিয়ে এবং পছন্দের ছাত্রীকে (যাদের তিনি প্রাইভেট পড়ান) সুবিধা মত নম্বর দিয়ে দেন। প্রায়ই পরীক্ষায় এমন ঘটনা ঘটছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোফাজ্জেল হোসেন মাদ্রাসার সুপারের আপন বড় ভাই হওয়ায় কাউকে তোয়াক্কা না করে ইচ্ছা মত করে বেরাচ্ছেন। মন না চাইলে ক্লাস করনো না করানো তার ইচ্ছা। মাদ্রাসার নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই চলছে একের পর এক অনিয়ম।
এব্যপারে মাদ্রাসার সহকারী মাওলানা এস এম ওসমান গনির কাছে জানতে চাইলে বলেন, পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম বেশী করা নিয়ে অভিযোগ উঠছে এবং অভিযোগ নিয়ে সুপারের বরাবরে আবেদন করা হয়েছে। আর কিছু যানি না বলে কৌশলে এড়িয়ে যান।
মাদ্রাসার সহ-সুপার মোঃ আখতারুজ্জামান মাওলানার কাছে জানতে চাইলে জানান, ৪/৫টি পরীক্ষার খাতায় নম্বর নিয়ে অভিযোগ উঠেছে সুপার মহোদয় আমাকে সহ আরও ২ জনকে পরীক্ষার খাতা পূর্ণমূল্যায়নের জন্য দিয়েছিল এবং খাতা দেখে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। আমার সাথে মোঃ হাবিবুর রহমান সহ মোঃ হুমায়ুন কবির ও ছিলেন। পরীক্ষার খাতায় অনিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন কম বেশী নম্বর দেওয়ার গড়মিল আছে। তবে এর বেশী বলতে রাজী হন নি।
মাদ্রাসার সুপার মোহাম্মাদ মোসারফ হোসাইন এর সাথে যোগাযোগ করলে বলেন, অভিযোগ সম্পর্কে সত্যতা পেয়েছি। এর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ইতিপূর্বে ম্যনেজিং কমিটিকে জানানো হয়েছে। ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন ১৮ তারিখ সভা ডাকা হয়েছে। সভাই সিদ্বান্ত নেওয়া হবে।