নগরীর এ.কে স্কুলে শিক্ষকের হাতে ছাত্র প্রহৃত

নিজস্ব প্রতবেদক॥ নগরীর গৃর্জা মহল্লার ঐতিহ্যবাহী আসমত আলী খান (এ.কে) স্কুলে ৬ষ্ঠ শ্রেনীর এক ছাত্রকে বেদরক ভাবে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার দুপুরে ঐ বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক জিয়াউল হক এই মারধরের ঘটনা ঘটায় বলে অভিযোগ করেন ছাত্রের মামা। মারধরের শিকার ছাত্র মেহেদী হাসান মিদুল। জানাগেছে, গতকাল দুপুরে অত্র বিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক জিয়াউল হক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ট শ্রেনীর ছাত্র মেহেদী হাসান মিদুল কে শ্রেনী কক্ষে বসে বেয়াদপি করার অপরাধে বেদরক ভাবে কিল-ঘুষি, চর-থাপ্পর মেরে আহত করে। এক পর্যায়ে ছাত্রের নাম কেটে দেওয়ার হুমকি দিলে মিদুল সহ বেশ তার সহপাঠিরা শিক্ষক জিয়াউল হক এর পায়ে ধরে ক্ষমা চায়। এদিকে বিকাল ৪টার পরেও ছাত্র মিদুল বাসায় না ফেরায় তার মামা বাজার রোডের ব্যবসায়ী তানভির গিয়ে স্কুল খোঁজ নিলে দেখতে পায় তার ভাগিনা মিদুল ব্যাথায় কাতরাচ্ছে। বিষয়টি মামা জানতে পেরে ওই শিক্ষকের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, আপনার কাছে আমি বলব না। ছাত্র বেয়াদপ তাই মেরেছি। কোন বেয়াদপ ছাত্রকে এই বিদ্যালয়ে রাখবোনা। জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউল হক বলেন, আমি ওকে সামান্য মেরেছি এটা সত্য। যখন অন্য ছাত্রদের কে পড়াচ্ছি ও তখন ক্লাসে কথা বলে। একাধিকবার নিষেধ করেছি সে শোনেনি। পরে ক্ষিপ্ত হয়ে একটু চর থাপ্পর দিয়েছি। তবে কিলঘুষি দেয়নি। আমি অনেক পুরানো শিক্ষক। ছাত্রদেরকে আমি নিজের সন্তানের মত দেখি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি আগামীকাল ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে আসতে বলেছি। এসময় ঐ শিক্ষকও উপস্থিত থাকবেন। সে সময়ে দুই পক্ষের কথা এবং অভিযোগ শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।