নগরীর একে ইনস্টিটিউশনের সভাপতি সহ ১৮ জনকে বিবাদী করে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীর আছমত আলী খান (একে) ইনস্টিটিউশনের নৈশ প্রহরীর বেতন-ভাতা অবৈধভাবে বন্ধ করে পরিচলনা পর্ষদের সভাপতি সহ ১৮ জনকে বিবাদী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নৈশ প্রহরী আব্দুল জব্বার হাওলাদার বাদী হয়ে সদর সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা করেন। আদালতের বিচারক মো. হাদিউজ্জামান মামলাটি গ্রহণ শুনানীর জন্য নির্দেশ দেন। বিবাদীরা হলেন, পরিচলনা পর্ষদের সভাপতি সৈয়দ গোলাম মাসউদ বাবলু, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সম্পাদক এইচএম জসিম উদ্দিন, অভিভাবক সদস্য আলহাজ্ব শাহ আলম বাদশা, চৌধুরী রফিকুল ইসলাম কামাল, মো. শফিকুর রহমান, এসএম ফারুক হোসাইন, মাহফুজা আক্তার লুনা, বিদ্যোৎসাহী সদস্য মোল্লা গিয়াস উদ্দিন তমাল, শিক্ষক প্রতিনিধি কাঞ্চন আলী, জিয়াউল হক ও সবিতা রাণী সমদ্দার। এছাড়াও রয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান, বিদ্যালয় পরিদর্শক ও মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা পরিচালক। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান জানান, আব্দুল জব্বার হাওলাদার ১৯৯২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর অস্থায়ী ভিত্তিতে সরকারি বেতন স্কেলে আছমত আলী খান (একে) ইনস্টিটিউশনে নৈশ প্রহরী হিসেবে যোগদান করেন। এতে জব্বারকে অন্যায়ভাবে বরখাস্ত করা হলে ২০০৮ সালে তিনি আদালতে মামলা করেন। পরে বিচারকের আদেশে জব্বারকে চাকরীতে পুনর্বহাল করা হয়। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট জব্বার চাকরীতে যোগদান করে মামলাটি তুলে নেন। হঠাৎ করে অন্যায়ভাবে চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি বিবাদীরা পরস্পরের যোগসাজশে নৈশপ্রহরী জব্বারের বেতনভাতা বন্ধ করে দেন। ১৯ মার্চ বিবাদীদের বেতন-ভাতা বন্ধ না করার জন্য আইনী নোটিশ দেয়ার পরও তারা বেতন-ভাতা বন্ধ রাখলে গতকাল মামলাটি দায়ের করা হয়।