নগরীতে আত্মগোপনকারী দৌলতখানের প্রবাসীর শিশু কন্যাকে পরিবারে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নিজের নাম ও পরিচয় গোপন রেখে আত্মগোপনে থাকা ভোলার দৌলতখান উপজেলার খয়ের হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ শ্রেণির ছাত্রীকে ১ মাস পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির বরিশাল বিভাগীয় অফিসের কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের যৌথ তৎপরতায় শিশু কন্যার পরিচয় উদ্ধারের পর শুক্রবার তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মীম (১২) নামের ওই শিশু দৌলতখান উপজেলার জয় নগর এলাকার কুয়েত প্রবাসী মো. হোসেনের কন্যা।
বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির আইন সহায়তা কেন্দ্রের বিভাগীয় প্রধান এ্যড. মুনিরা বেগম জানান, গত ২৬ নভেম্বর রাত ৯ টায় নগরীর চাঁদমারী মাদ্রাসা এলাকা থেকে শিশুকে উদ্ধার করা হয়। পরে শিশু তার পরিচয় গোপন রাখায় মহানগরীর পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়।
মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার শাহনাজ পারভিন বলেন, তার কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে দৌলতখান থানার ওসি ও স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সহায়তা শিশুর পরিবারকে খুঁজে বের করা হয়। পরে শিশুর মায়ের সাথে কথা বলে পরিচয় নিশ্চিত হয়ে খবর দেয়া হয়।
এসি বলেন, মিমের রাগ বা ভয়ের কারণে নাম ও পরিচয় গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলো।
মা আমেনা বেগম জানান, পড়ালেখার জন্য মারধর করলে মীম প্রায় ১ মাস পূর্বে পালিয়ে যায়। এর পর তাকে খুঁজে না পেয়ে দৌলতখান থানায় সাধারণ ডায়রী করেন। মিম ছাড়াও তার আরো ৪ কন্যা রয়েছে।
মিম জানিয়েছে, বাড়ি থেকে লঞ্চে নগরীতে আসে। পরে এলজিআরডি ভবন এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি করতে দেখে সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মজনু তার বাসায় গৃহপরিচারিকার কাজে নেন। বাসায় ১৫ দিন কাজ করার পর ২৬ নভেম্বর সকালে বের হয়ে আর ফিরে যায়নি।