দুদকের ১৫ বছর তদন্তের পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা !

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ উজিরপুর উপজেলার রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) পুলিশের ঘুষ দাবীর মামলা ১৫ বছর তদন্তের পরও প্রমাণ করতে পারেনি দুদক কর্মকর্তা। বিগত ১৫ বছর পূর্বে ঘুষ দাবীর অভিযোগে ৩ পুলিশ কর্মকর্তা সহ ৪ জনের মামলা করেছিলেন দুদকের সহকারী পরিদর্শক মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ। মামলার অভিযুক্তরা ছিলো উজিরপুর আরআরএফ এর তৎকালীন কনস্টেবল তসলিম উদ্দিন, কনস্টেবল নং-৯৫৭, তৎকালীন কনস্টেবল ও বর্তমানে বোরহান উদ্দিন থানার এএসআই মোঃ হেমায়েত উদ্দিন, বর্তমানে অবসর প্রাপ্ত এসআই মোঃ আলমগীর হোসেন ও ধামুরা গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে কায়সার মজুমদার। মামলার তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের অব্যাহতির আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেন দুদক উপ-সহকারী পরিচালক তানভীর আহাম্মেদ। গতকাল সোমবার সংশ্লিষ্ট থানার জিআরও মোঃ আলী হোসেন প্রতিবেদনটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জমা দেন। মামলার বিবরণে জানাগেছে, ১৯৯৮ সালের ২৯ জানুয়ারি সন্ধ্যার পরে পুলিশ ক্যাম্পের ৫’শ গজ দূরে হাওলাদার বাড়ীতে যায় অভিযুক্তরা। এ সময় কোন কাগজপত্র ছাড়াই বিদেশ ফেরত সোহরাব হোসনকে খুঁজতে যায় অভিযুক্তরা। সোহরাব বের হলে তাকে মারধর করে বেধে রাখে এবং তার মাকেও মারধর করে স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। এ সময় ৫০ হাজার টাকা উৎকোচ দাবী করে অন্যথায় মিথ্যে মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ২০০১ সালের ৩১ জানুয়ারি মামলা করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার দিন ওই সময় প্রত্যক্ষদর্শীরা এতদিনে মৃত্যুবরণ করায় এবং ভিকটিম সোহরাব আমেরিকা অবস্থান করায় মামলার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যার ফলে মামলা থেকে অভিযুক্তদের অব্যাহতির আবেদন জানান।