দুদকের মামলায় সড়ক ও জনপথের প্রকৌশলী কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ জ্ঞাত আয়-বর্হিভূত সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের মামলায় ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে জেলে পাঠিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের করা ওই মামলার আসামী উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুল আমিন সিকদার বরিশালের জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন তার জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুল আমিন সিকদার নগরীর আলেকান্দা এলাকার লাচিন ভবনের বাসিন্দা ও উজিরপুর উপজেলার ইয়াকুব আলী সিকদারের ছেলে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফারুক জানান, ২০০৮ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুদক প্রকৌশলী’র স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বিবরন চেয়ে নোটিশ দেয়। ২০০৯ সালের ১৫ জানুয়ারী দুদকে দাখিল করা বিবরনীতে ৮৪ লাখ ৬২ হাজার ১৮ টাকার সম্পদ অর্জনের উল্লেখ করেন তিনি। দুদক তদন্ত করে প্রকৌশলীর নিজ, স্ত্রী ইসরাত জাহান, সন্তান লাচিন’র নামেসহ আরো ৩৩ লাখ ৩৯ হাজার ৬শ’ ৪১ টাকা সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন রাখার প্রমান পায়। জ্ঞাত আয়-বর্হিভূত ওই সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপন করার অভিযোগে ২০০৯ সালের ২৮ অক্টোবর বরিশাল মহানগর পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করে দুদক’র সহকারী পরিচালক এএইচ রহমাতুল্লাহ। তিনি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ২০১০ সালের ৩০ আগষ্ট উপ-সহকারী প্রকৌশলী নুরুল আমিন সিকদারকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট জমা দেয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর থেকে উচ্চাদালত থেকে ৬ মাস ও এক বছর করে মোট দুই বছর জামিনে মুক্ত ছিলেন তিনি। গত ধার্য্য তারিখে তিনি মামলার পরিচালনার আবেদন করেন আদালতে। গতকাল মামলার অভিযোগ গঠনের ধার্য্য দিনে তিনি হাজির হয়ে পূনরায় জামিন চেয়ে আবেদন করলে জেষ্ঠ্য বিশেষ জজ ওই আদেশ দেন।