ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন পেলেন নাসরিন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ আফরোজা খানম নাসরিন। বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক। বর্তমানে হয়েছেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির হিসেব পুরোপুরি না মিললেও কেন্দ্রীয় একটি পদে থাকায় ত্যাগের মূল্যায়ন অনেকটা হয়েছে বলে মনে করেন এখানকার ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সরকার বিরোধী আন্দোলনে বরিশাল ছাত্রদলের ভূমিকা নিয়ে কথা উঠলেই প্রথমে আসে তার নাম। কারন পুলিশের হাতে এ পর্যন্ত নির্যাতনের শিকার যারা হয়েছেন তাদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছেন তিনি। আর বিএনপির বিরুদ্ধে পুলিশী মামলা যতগুলো হয়েছে তার প্রত্যেকটিতেই আসামী আফরোজা খানম নাসরিন। বরিশালে হরতালে পিকেটিং এর সূত্রপাত হয় নাসরিনকে দিয়ে। এ জন্য পুলিশের হাতে মারও খেয়েছেন কয়েকবার। কয়েক মাস পূর্বে পিকেটিংকালে নাসরিনকে আটক করে হাত-পা ভেঙ্গে দেয় পুলিশ। অনেক দিন জেল খেটে সম্প্রতি মুক্তি পান তিনি। কলেজ জীবন থেকে রাজনীতিতে হাতেখড়ি দেয়া নাসরিন রাজনীতির জন্য অনেক কিছু ত্যাগ করেছেন। বিএনপির ক্ষমতায় থাকা কালে  সরকারী চাকুরী পেয়েও তাতে যোগদান করেননি তিনি। বরিশাল বিএনপি, ছাত্রদলের এমন কোন কর্মসূচি নেই যেখানে নাসরিন নেই। সব কর্মসূচিতেই সরব উপস্থিতি তার। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে অন্তর্ভূক্ত করায় নাসরিনের সঠিক মূল্যায়ন হয়েছে বলে মনে করে এখানকার ছাত্রদলের নেতারা। হরতাল কিংবা অন্যান্য কর্মসূচিতে অনেক সময় গ্রেপ্তার এড়াতে বেশিরভাগ ছাত্র দল নেতারা নীরব থাকলেও সরব ভূমিকায় দেখা যায় নাসরিনকে। বিএম কলেজে অধ্যয়নকালেও সব কর্মসূচিতে একটা বড় ভূমিকা ছিল নাসরিনের। নাসরিন বলেন, বিএনপির জন্য আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত। শুধুমাত্র দলকে ও দলের আদর্শকে ভালবাসি বলে প্রথম শ্রেণীর সরকারী চাকুরীতেও যোগদান করিনি। সারা দেশের তৃনমূল লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মীদের  ভিড়েও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নাসরিনকে নামেই চেনেন।