তৃনমূলের নামে দুটি ব্যানার যুবদলের কমিটি চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কেন্দ্র থেকে তৃনমূলের কমিটিগুলো সম্মেলনের মাধ্যমে হালনাগাদের তাগাদা দেয়ায় নড়েচড়ে বসেছে বরিশালের যুবদল কর্মীরা। কেন্দ্রের এই নির্দেশনার ফলে আশার আলো দেখছেন তারা। তাই তৃনমূলের দাবী সংবলিত দুটি ব্যানার গতকাল বুধবার দুপুরে টানানো হয়েছে সদর রোডের দলীয় কার্যালয়ে। ব্যানারে কবিতার ভাষায় বলা হয়, ‘দুঃখ বেদনায় নেত্রী বলতে চাই, বরিশালে যুবদলের কোন কমিটি নাই। অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন বেগবান করার জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং তৃনমূলের নেতা তারেক রহমানের কাছে অবিলম্বে বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি চাই’। ব্যানারের নীচের অংশে লেখা হয়েছে, প্রচারে ঃ দীর্ঘ আকাংখিত বরিশাল মহানগর ও জেলা যুবদলের তৃনমূলের নেতাকর্মী বৃন্দ।
জানতে চাইলে মহানগর যুবদলের পাল্টা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান রতন বলেন, কে বা কারা ওই ব্যানার টানিয়েছে তা তিনি জানেন না। তবে জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি হালনাগাদ করার দাবী তৃনমূলের সব নেতাকর্মীর। এই ব্যানারে উল্লেখিত দাবী যাতে বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের কানে পৌঁছায় এবং তারা যাতে অনতি বিলম্বে তৃনমূলের পরীক্ষিত নেতা কর্মীদের মধ্য থেকে বাছাই করে বরিশাল জেলা ও মহানগরে যোগ্যদের হাতে নতুন কমিটির দায়িত্ব দেন, সেটা যুবদলের সবার প্রানের দাবী।
২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল অনুসারী রফিকুল ইসলাম শাহীনকে সভাপতি এবং আকতারুজ্জামান শামীমকে সাধারন সম্পাদক করে মহানগর যুবদলের একটি কমিটি গঠন করা হয়। এর পাল্টা হিসেবে মহানগর বিএনপি’র সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার তার অনুসারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়াকে আহ্বায়ক এবং মীর জাহিদুল কবির, কামরুল হাসান রতন, মো. আলাউদ্দিন, মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ও আরিফুর রহমান বাবুকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে একটি পাল্টা কমিটি গঠন করেন। বিগত দিনে পাল্টা কমিটিওয়ালাদের কিছু তৎপরতা থাকলেও মান-অভিমানে একেবারে নিষ্প্রভ ছিল আলাল অনুসারীরা।
এদিকে একই বছর নজরুল ইসলাম খান রাজনকে সভাপতি এবং শাহেদ আকন স¤্রাটকে সাধারন সম্পাদক করে জেলা (দক্ষিন) যুবদলের কমিটি গঠন করা হয়। রাজনকে বিএনপি’তে পদোন্নতি দেয়ার পর শূন্য পদে সহসভাপতি খাজা মো. ইকবালকে জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয়। কিন্তু এই কমিটিরও কোন তৎপরতা বিগত দিনে দেখা যায়নি।