তিন মন্ত্রীর নগরীর তিন স্থান দর্শন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীতে আধুনিক পর্যটন হোটেল নির্মানের জন্য বান্দ রোডের বিআইডব্লিউটিএ’র মেরিন ওয়ার্কশপ মাঠ ও কেডিসি এলাকায় জায়গা প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সাথে আধুনিকায়নের পাশাপাশি সচল করে তোলা হবে বন্ধ হয়ে থাকা মৎস্য অবতরন কেন্দ্রটি। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব জায়গা পরিদর্শন কালে শিল্প, নৌ এবং পর্যটন মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীরা এসব স¤া¢বনা এবং উন্নয়নের বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানিয়েছেন।
বরিশাল বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল্যাহ জানান, বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু-এমপি, নৌ-পরিবহন মন্ত্রী মোঃ শাহজাহান খান-এমপি ও বেসরকারী বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন-এমপি বরিশালে আসেন। তারা প্রস্তাবিত দেশের তৃতীয় বৃহত্তর পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্র বন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বিকাল ৫টার দিকে বরিশাল নগরীতে আসেন। পরে বান্দ রোডের পদ্ম পুকুর সংলগ্ন বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের গেষ্ট হাউজে মন্ত্রী, এমপি ও স্থানীয় প্রশাসনের সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।
সেখানে বরিশাল নগরীতে একটি আধুনিক পর্যটন হোটেল নির্মান নিয়ে আলোচনা হয়। পরে পর্যটন হোটেলের জন্য প্রস্তাবিত জায়গা নগরীর বিআইডব্লিউটিএ’র মেরিন ওয়ার্কশপ মাঠ ও কেডিসি এলাকা পরিদর্শন করেন। এর পাশাপাশি দীর্ঘ দিন যাবত পড়ে থাকা কীর্তনখোলা নদীর তীর ঘেষা মৎস্য অবতরন কেন্দ্র পরিদর্শন এবং এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেন ঐ তিন মন্ত্রী। পরবর্তীতে তারা ঝালকাঠির গাবখান ও বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশায় দুর্গাসাগর এলাকায় পর্যটন এলাকা ও হোটেল নির্মানের জন্য প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেন।
আধুনিক পর্যটন হোটেলের জন্য জায়গা পরিদর্শন কালে তিন মন্ত্রী ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-২ আসনের সাংসদ ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মোঃ ইউনুস, বরিশাল সদর-৫ আসনের সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল-৩ আসনের এমপি এ্যাড. শেখ মোহাম্মদ টিপু সুলতান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শৈবাল কান্তি চৌধুরী, বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ শহীদুল আলম, আওয়ামীলীগ নেতা মাহাবুব উদ্দিন আহম্মেদ (বীর বিক্রম), বরিশাল বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহিদ উল্যাহ প্রমুখ।
এদিকে বন্দর কর্মকর্তা শহিদ উল্যাহ জানান, আধুনিক পর্যটন হোটেলের জন্য বৃহস্পতিবার পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে ঢাকায় আরো একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ সভা থেকেই নির্ধারণ করা হবে কোন স্থানে নির্মিত হবে আধুনিক পর্যটন হোটেল। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হতে পারে বলে বন্দর কর্মকর্তা আশা ব্যক্ত করেছেন।
তাছাড়া বন্ধ হয়ে থাকা মৎস্য অবতরন কেন্দ্র’র কার্যক্রম পূনরায় শুরু করা হবে। এ বিষয়ে নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান ও শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু ঢাকায় গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।