তজুমদ্দিনে দম্পত্তিসহ তিন গাঁজা ব্যবসায়ী আটক

তজুমদ্দিন প্রতিবেদক ॥ উপজেলার অলি গলি এখন মাদকসেবীদের দখলে। স্কুল কলেজের অনেক শিক্ষার্থীরা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ায় শঙ্কিত অভিবাবক মহল। একাধিক চক্র এসব মাদক বিভিন্ন জায়গা থেকে এনে ছড়িয়ে দিচ্ছে গ্রাম গঞ্জে। বৃহস্পতিবার তজুমদ্দিনের চিহ্নিত দুই গাঁজা বিক্রেতা ও এক সেবনকারীকে পুলিশ আটক করে মামলা দিয়েছে।
থানার উপ-পরিদর্শক উহাব সরকার জানান, বুধবার স্বপন চ্যাটার্জি নামে একজনকে ১০০ গ্রাম গাঁজা সহ পুলিশ আটক করে। তার তথ্য মতে পুলিশ বৃহস্পতিবার আলাউদ্দিন (৪০) ও তার স্ত্রী ইয়ানুরকে (৩০) কে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী ইয়ানুর বেগমের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া সেবনকারী স্বপনকে একমাসের কারাদন্ড দিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম হতে লঞ্চে তজুমদ্দিনের বিভিন্ন স্পটে নিয়মিত ইয়াবা ও গাঁজা পরিবহনের নিরাপদ রুট হিসেবে বেছে নেয় মাদক ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও কুঞ্জেরহাট ও লালমোহন উপজেলার কয়েক জন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী পাইকারী মুল্যে গাঁজা পৌছে দেয় তজুমদ্দিনের চিহ্নিত গাঁজা ব্যবসায়ী আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী ইয়ানুরের কাছে। তারা ছোট ছোট পুরিয়া হিসেবে বিক্রি করছে সেবন কারীদের কাছে। অপর একটি চক্রের মাধ্যমে ইয়াবা ট্যাবলেটও এখানকার হাট বাজারে সহজ লভ্য। ভোলা সদর ও লক্ষীপুর হয়ে একাধীক চক্র স্থানীয় কয়েক হোতার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এই মরন নেশা। সন্ধ্যারপর অলি গলিগুলো দখল করে নেয় এসব মাদক সেবন কারীরা। গত ১৫ জুন দিন নেশার টাকা না পেয়ে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে নির্মম নির্যাতনের শিকার হন শশীগঞ্জ গ্রামের চিংড়ি ব্যবসায়ী শাহজাহান।
অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির জানান, তজুমদ্দিনের মাদকের সিন্ডিকেটি ধরার জন্য অনেকদিন ধরে পুলিশ চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইয়াবার সিন্ডিকেটটিও আটকের চেষ্টা চলছে। এখানে কোন মাদক থাকবেনা বলেও ওসি জানান।