ঢাকা ও চট্টগ্রামে নগরীর ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা

রুবেল খান॥ ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আমেজে নেতা-কর্মী শূণ্য হয়ে পড়েছে বরিশাল জেলা ও মহানগর আ’লী লীগ। দল মনোনীত প্রার্থীকে নির্বাচিত করার লক্ষে নেতা-কর্মীরা ইতোমধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। ভোটের জন্য ছুটছেন ভোটারদের দারে দারে।
সূত্রমতে, আর কদিন বাদেই ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর তাই নির্বাচনকে ঘিরে এই তিন সিটির মেয়র প্রার্থীরা কাটাচ্ছেন ব্যস্ত সময়। দিন রাত মাইকের শব্দ আর প্রচার-প্রচারনায় এক উৎসব মুখল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা সহ তিনটি সিটি কর্পোরেশন এলাকায়।
এদিকে তিন সিটিতে নির্বাচনকে ঘিরে শুধু মাত্র প্রার্থী বা ঢাকা ও চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীরাই নয়। তাদের সাথে প্রচার প্রচারনায় যোগ দিয়েছেন বরিশালের আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা-কর্মীরাও। প্রধান মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভা নেত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দিশে তারা বেশ আগে থেকেই নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করছেন। দলীয় সমর্থিত প্রার্থিদের পক্ষে চালাচ্ছেন দিন রাত প্রচার প্রচারনা। করছেন একের পর এক সভা-সমাবেশ। মূল দলের সভা নেত্রী শেখ হাসিনার নির্দিশেই তিন সিটিতে আ’লীগ মনোনিত প্রার্থীদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করাটাই যেন বরিশালের নেতা-কর্মীদের চ্যালেঞ্চে পরিনত হয়েছে। আর এই চ্যালেঞ্চ রক্ষা করতে গিয়ে সিনিয়র নেতা-কর্মী শূণ্য হযে পড়েছে বরিশাল জেলা ও মহানগর।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদিয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ গত এক সপ্তাহ পূর্বে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চট্টগ্রাম সিটি এলাকায় অবস্থান করছেন। তাকে ঐ সিটির নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার প্রচারনার দায়িত্ব দিয়েছেন। আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ-এমপি’র পাশাপাশি তার সমর্থক বেশ কিছু সিনিয়র নেতা-কর্মী চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থির পক্ষে ভোট চাইতে চট্টগ্রামে ভোটারদের বাড়ি বাড়ি ছুটছেন।
আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র পাশাপাশি প্রচারনায় যোগ দিয়েছেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. তালুকদার মো. ইউনুস। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নির্দেশে তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী সাইদ খোকন’র ইলিশ প্রতীকের প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছেন। তিনি গত ২০ জানুয়ারী থেকে এই গনসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করছেন।
মূল দলের বাইরেও বরিশাল জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগ যুবলীগ ও শ্রমিক লীগের সিনিয়র পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মীরা ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনী এলাকায় দলীয় প্রার্থীর পক্ষে গনসংযোগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। যার ফলে বরিশাল নেতা-শূণ্য হয়ে পড়েছেন। এখানে তৃনমুল পর্যায়ের নেতা-কর্মী ছাড়া কারো দেখা মিলছে না সভা-সমাবেশে। ঢাকায় অবস্থানকারী ক্ষমতাসিন আ’লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে আলাপকালে তারা জানিয়েছেন নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা যতদিন চলবে তারা ঢাকা এবং চট্টগ্রামে অবস্থান করবেন। প্রচারনার সময় শেষ হলেই বরিশালে ফিরবেন।