ডিসেম্বরে নগরীতে উৎপাদন হবে ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত প্রধানমন্ত্রীর বরিশালকে উন্নত শিল্প নগরী গড়ার পরিকল্পনা

জুবায়ের হোসেন ॥ নগরী থেকে আগামী ডিসেম্বর থেকে প্রায় ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাবে জাতীয় গ্রীড। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ওই বিদ্যুত এই নগরীতে সরবরাহ করা হবে। বর্তমান সরকারের বরিশাল নগরীকে উন্নত শিল্প নগরী করার পরিকপ্লনায় বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্রটি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক এসএম আলী আহসান। তিনি জানান, বেসরকারী সামিট ইনপাওয়ারিং বাংলাদেশ কেন্দ্রটি নির্মান করছে। নগরীর গ্যাস্টারবাইন এলাকায় ৯ একর জমিতে নির্মানাধীন কেন্দ্রের সামিট বরিশাল পাওয়ার লিমিটেড নামকরন করা হয়েছে। উৎপাদন কেন্দ্রের নির্মান ব্যয় ৬৫০ কোটি টাকায় পৌছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। ফিনল্যান্ড থেকে আনা ওয়াটসিলা নামের ৭ শক্তিশালী যন্ত্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। প্রতিটি যন্ত্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৭ দশমিক ৫ মেগাওয়াট। সে হিসেবে প্রতিদিন প্রায় ১২০ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদন করা হবে। ব্যবস্থাপক বলেন, দেশে সামিট ইমপাওয়ারিংয়ের ১১ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। তা জাতীয় গ্রীডের মাধ্যমে সাধারনের কাছে যাচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য গত ২ মার্চ সরকারের সাথে চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী ১৫ মাসের মধ্যে কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে হবে। কিন্তু ১২ মাসের মধ্যে তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ব্যবস্থাপক এসএম আলী আহসান। বর্তমানে ১০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ইপিসি ঠিকাদারদের দরপত্রের মাধ্যমে অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানকে নির্মানের কাজ দেয়া হয়েছে। নির্মান কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্নের জন্য দু’ভাবে ভাগ করা হয়েছে। বর্তমানে জমি উন্নয়নের কাজ চলছে। এর পরে যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হবে। এই উৎপাদন কেন্দ্রে ১০০ জন কর্মরত থাকবেন। ব্যবস্থাপক এসএম আলী আহসান জানান, বরিশালের চাহিদার বিদ্যুৎ পায় না। সম্ভাবনাময় এই নগরীর সাথে নদী পথের যাতায়াত ভালো। এছাড়া পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর চালু হবে। তাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরিশালকে একটি উন্নত শিল্প নগরীতে রূপান্তরিত করার পরিকপ্লনা করেছেন। এই জন্য কেন্দ্রটি সৈয়দপুরে না করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বরিশালে করা হচ্ছে।