ডিবি এসআই’র স্ত্রীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বরিশাল মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর আলম এর স্ত্রীর মরদেহের ময়না তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সোমবার ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করেছেন।
গত রোববার সন্ধ্যার পরে নগরীর কাশিপুর ভূইয়া বাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসা থেকে এসআই নূর আলম এর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং এক সন্তানের জননী সুরভী আক্তার মনিরার (২৭) গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। সেখানকার দিদার ভূইয়ার মালিকানাধীন বাড়ির দ্বিতীয় তলার বাসায় ভাড়া থাকতো এসআই নূর আলম এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী মনিরা।
এয়ারপোর্ট থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, মনিরার পরিবার মৃতদেহ বিনা ময়না তদন্তে নেয়ার জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কাছে আবেদন করেছিল। সেখান থেকে অনুমতিও মিলেছে। কিন্তু মৃত্যুর প্রকৃত কারন নিশ্চিত হওয়ার জন্য অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। পরে মৃতদেহের ময়না তদন্তর শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাছাড়া পারিবারিক কলহের জের ধরেই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে ময়না তদন্ত রিপোর্ট পেয়ে মৃত্যুর বিষয়টি পুরোপুরি ভাবে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
নিহতের পরিবার সুত্র জানিয়েছে, এসআই নুরে আলম ও মনিরা উভয়ের দ্বিতীয় বিয়ে। নুরে আলমের প্রথম স্ত্রীর তিন সন্তান। প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে এক সন্তান নিয়ে এসআই নুরে আলমকে বিয়ে করে মনিরা। সেই সন্তানও তাদের সাথে বসবাস করতো। মনিরা মেহেন্দিগঞ্জের চাঁদপুরা ইউনিয়নের শাহাবুদ্দিন হাওলাদারে কন্যা। বিয়ের পর তাদের মধ্যে কলহ হতো। এসআই নুরে আলম সাংবাদিকদের জানান, মনিরা বদ মেজাজী ছিল। এর আগেও সে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। তবে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়াÑঝাটি হলেও স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবী করেছেন তিনি।