ঝালকাঠির মেয়রের ভাই-বোনের সাথে কাউন্সিলর গ্রুপে সংঘর্ষে আহত ৫

ঝালকাঠি প্রতিবেদক ॥ তুচ্ছ ঘটনার জের পশ্চিম ঝালকাঠি মেয়র আফজাল গ্রুপ ও কাউন্সিলর হুমায়ূন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই গ্রুপের ৫ জন আহত হয়েছে। দুপক্ষের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষকালে ৪/৫টি মটোরসাইকেল ভাচুর ও ৩টি ঘরের দরজা-জানালা ভাংচুর হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় মেয়র আফজালের সৎ বোনের জামাই বাবুল তালুকদার (৪৫) কে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। দীর্গ দিন শান্ত থাকার পর আবার এ দুগ্রুপের মধ্যে সহিংসতার ঘটনায় এলাকায় চাপা আতংক বিরাজ করছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছে। এসময় পুলিশ ভাংচুর হওয়া ৪টি মটোরসাইকেল জব্দ ও রাজা (৪) নামে এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে আট করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পশ্চিম ঝালকাঠি এলাকায় মরহুম আঃ আজিজ তালুকদারের বাড়ী মধ্যে ডুকে মেয়রের সৎ ভাই-বোনের ছেলেরা গাছ থেকে কাচা আম পেড়ে খেতে থাকলে কাউন্সিলর হুমাযূনের সমর্থক স্থানীয় কালাম ও শফিক তালুকদার তাদের নিষেধ করে। এ নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাধে এবং খবরে উভয় পক্ষের সমর্থকরা ছুটে এসে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ ব্যাপারে মেয়র আফজালের সৎ বোন জেসমিন, লাইজু ও ভাই উজ্জল জানায়, তাদের ছেলেমেয়েরা পাশে বাড়ীর গাছ থেকে সামান্য কয়েকটি আম পেড়ে খেতে গেলে ওড়া বাধা দেয় ও মারধর করে। ডাকচিৎকার শুনে তারা বেড় হলে রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে তাদেয় উপর হামলা চালায়। তারা আমাদের ঘরবাড়ী ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এতে লাইজ, তার কিশোরী কন্যা, তার স্বামী বাবুল ও উজ্জলের স্ত্রী আহত হয়। আহত বাবুল তালুকদার জানায়, মিরাজ, রাজ্জাক, কালাম ও আলামিন সহ আরো ৪/৫ জন তাদেও উপর এ হামলা চালায়।
অন্যদিকে কাউন্সিলর হুমায়ূন সমর্থক কালাম, মিরাজ ও আলআমিন জানায়, মেয়র আফজালের সৎভাই-বোনের হাতে কয়েক দশক ধরেই এলাকার মানুষ জিম্মি জীবন যাপন কওে আসছে। ঘটনার দিন মেয়রের সৎভাই-বোনের ছেলেমেয়েরা জোরপূর্বক পাশের বাড়ী ডুকে আম পাড়ছিল। এতে নিষেধ করায় পাশের ঘর থেকে মেয়রের সৎভাই-বোনেরা রামদা, দা ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালিয়ে বেধরক মারধর করে। তখন কোন রকম তারা প্রান বাচিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করলে মিথ্যা নাটক সাজাতে নিজেদের ঘরের টিনের বেড়া কেটে-ভেঙ্গে মিথ্যা অভিযোগ দিচ্ছে।
ঘটনাস্থলে যাওয়া থানার এসআই আঃ হালিম তালুকদার জানায়, আমরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেছি। ভাচুর হওয়া ৪টি গাড়ী ও প্রাথমিক ভাবে একজনকে থানায় নেয়া হয়েছে। এখোন পর্যন্ত দুপক্ষের কেউ কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।