জিলা ও সদর গালর্সের বার্ষিক ক্রীড়া সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল জিলা স্কুল ও সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিদ্যালয় চত্ত্বরে পৃথক পৃথক ভাবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু-এমপি।
পৃথক দুটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু-এমপি বলেন- বর্তমান বিএনপি-জামায়াত জোটে দেশের ভালো চায়না। তারা দেশের সাধারণ জনগনের উন্নয়নের কথা বলে। কিন্তু সেই সাধারণ জনগনকেই আবার পেট্রোল বোমার আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করছে। বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের নেত্রী খালেদা জিয়া জনগনের নয় নিজের এবং সন্তানের ভালোর জন্যই দেশে সন্ত্রাসী এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে। যার ফলে দেশের মানুষ তাদের আন্দোলনে সাড়া দিচ্ছে না।
তিনি বলেন- খালেদা জিয়া দেশের ভালো চাইলে পরীক্ষা চলাকালে হরতাল-অবরোধ দিতো না। আগামী ২ জানুয়ারি দেশে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে যেনেও তারা আন্দোলন প্রত্যাহার করছে না। তাই এ থেকেই বুঝা যায় খালেদা জিয়া দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন চায় না। দেশে শিক্ষার মান এতটাই উন্নত হয়েছে যা খালেদা জিয়া এবং তার ছেলে তারেক রহমান সহ্য করতে পারছে না। যার ফলে পরীক্ষার ক্ষেত্রেও তারা বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অন্তত পক্ষে পরীক্ষার জন্য হলেও হরতাল অবরোধ দিয়ে মানুষ পোড়ানো এবং যানবাহনে ভাঙচুর বন্ধের আহবান জানিয়ে শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু-এমপি বলেন, যতই আন্দোলন করুন না কেন মধ্যবর্তী কোন নির্বাচন দেয়া হবে না। নির্বাচনের জন্য নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এমনকি হরতাল-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আওয়ামীলীগ সরকার কোন প্রকার সংলাপে যাবে না বলেন তিনি।
জিলা স্কুল এবং সদর গাল্স স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সদর-৫ আসনের সাংসদ জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জিয়াউল হক, বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল আলম, জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বরিশাল কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু।
এছাড়া অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন- বরিশাল মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আফজালুল করিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এ্যাড. লস্কর নূরুল হক প্রমুখ।
আলোচনা অনুষ্ঠান পরবর্তী শিল্প মন্ত্রী আমির হোসেন আমু-এমপি এবং অন্যান্য অতিথিবৃন্দ জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়িয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।