ছুটির দিনে বর্ধিত এলাকা ও মসজিদ মাদ্রাসা পরিদর্শনে ব্যস্ত সময় পার করলেন বিসিসি মেয়র

পরিবর্তন ডেক্স ॥ ছুটির দিনে শুক্রবার নগরীর ৪নং ওয়ার্ড ও পার্শ্ববর্তী ওয়ার্ডের বর্ধিত এলাকা পরিদর্শন করেন বিসিসি মেয়র আহসান হাবিব কামাল। ৪নং ওয়ার্ডের রোকেয়া আজিম সড়কের জামে মসজিদুল আকসা মসজিদের উন্নয়নমূলক  কাজ পরিদর্শন শেষে জুমার নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে উপস্থিত মুসুল্লীদের উদ্দেশ্যে মেয়র আহসান হাবিব কামাল  মসজিদের উন্নয়নে তার সবর্তাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, মসজিদ-মাদ্রাসার সাথে আমার আত্মার সম্পর্ক। আমি দীর্ঘদিন পৌর চেয়ারম্যান ও কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও নির্বাচিত মেয়র হিসেবে মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত ছিলাম এবং রয়েছি।
এসময় মেয়র আহসান হাবিব কামালকে মসজিদ কমিটির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান। মসজিদের উন্নয়নে স্থানীয় কাউন্সিলর ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ মেয়র আহসান হাবিব কামালের কাছে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। মেয়র সমস্যা সমাধানে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দেন। এসময় মেয়র জামে মসজিদুল আকসা ও পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসার জন্য একটি টিউবওয়েলের প্রতিশ্রতি দিয়ে বলেন, এ মসজিদের আধুনিকায়নে তিনি সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইউনুস মিয়া, ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান টিপু, সাবেক কাউন্সিলর ও মসজিদ কমিটির সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম বাদশা, মোঃ বারেক হাওলাদার, মোঃ খালেক হাওলাদার, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।
নামাজ শেষে মেয়র ৪নং ওয়ার্ডের বর্ধিত এলাকা পরিদর্শনকালে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে কাউন্সিলরদের নানান পরামর্শ দেন।
বিকেলে মেয়র আহসান হাবিব কামাল ফিসারী রোডের বাসিন্দা বিএম কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হানিফ মাহমুদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাতে অংশগ্রহন করেন।
এরপর শাহপাড়া এলাকার বাসিন্দা শিল্প ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপক এমলাক হোসেনের  মৃত্যু সংবাদ শুনে তার রুহের মাগফেরাত কামনায় তার বাসভবনে গিয়ে বিদেহী আত্মার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। মরহুম এমলাক হোসেনের পরিবারবর্গকে শান্তনা দেন বিসিসি মেয়র আহসান হাবিব কামাল।
রাতে বাজার রোডের জামিয়া আরবিয়া খাজা মঈনুদ্দিন মাদ্রাসায় পরিচালনা কমিটির সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। মতবিনিময় সভায় মেয়র বলেন খাজা মঈনুদ্দিন মাদ্রাসার ৪র্থ তলা নির্মানে ১৭ লাখ টাকার অনুদান দেয়া হয়েছে। এছাড়াও মাদ্রাসার যে কোনো উন্নয়ন কর্মকান্ডে তিনি সবসময় সহায়তার আশ্বাস প্রদান করেন।