ছাত্রী অপহরণে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বাবুগঞ্জ রাজগুরুতে স্কুল ছাত্রী অপহরনের অভিযোগে একই পরিবারের ৪ সদস্যর বিরুদ্ধে পুলিশকে নালিশী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্কুল ছাত্রীর পিতার দায়ের করা নালিশী অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মুজিবুর রহমান ওই আদেশ দেন। অভিযুক্তরা হলো বাবুগঞ্জ পশ্চিম রাজগুরু এলাকার বাসিন্দা মতি প্যাদার পুত্র মহসিন প্যাদা, তার স্ত্রী রুপিয়া বেগম, কন্যা শারমিন ও শারমিনের স্বামী মোঃ রাসেল। নালিশীতে উল্লেখ করা হয় ভিকটিম বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী। ভিকটিম স্কুলে যাওয়া আসার সময় মহসিন তাকে কু-প্রস্তাব দিত। পরে মহসিনকে নিষেধ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়। এর জের ধরে গত  ২ সেপ্টেম্বর ভিকটিম বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় উল্লেখিত ভিকটিমকে আলফা যোগে অস্ত্রমুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় খোজাখুজি করে না পেয়ে গতকাল আদালতে মামলা করলে বিচারক ওই আদেশ দেন।
ছাত্রী অপহরণে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বাবুগঞ্জ রাজগুরুতে স্কুল ছাত্রী অপহরনের অভিযোগে একই পরিবারের ৪ সদস্যর বিরুদ্ধে পুলিশকে নালিশী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার স্কুল ছাত্রীর পিতার দায়ের করা নালিশী অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোঃ মুজিবুর রহমান ওই আদেশ দেন। অভিযুক্তরা হলো বাবুগঞ্জ পশ্চিম রাজগুরু এলাকার বাসিন্দা মতি প্যাদার পুত্র মহসিন প্যাদা, তার স্ত্রী রুপিয়া বেগম, কন্যা শারমিন ও শারমিনের স্বামী মোঃ রাসেল। নালিশীতে উল্লেখ করা হয় ভিকটিম বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্রী। ভিকটিম স্কুলে যাওয়া আসার সময় মহসিন তাকে কু-প্রস্তাব দিত। পরে মহসিনকে নিষেধ করলে সে ক্ষিপ্ত হয়। এর জের ধরে গত  ২ সেপ্টেম্বর ভিকটিম বিকেলে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় উল্লেখিত ভিকটিমকে আলফা যোগে অস্ত্রমুখে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় খোজাখুজি করে না পেয়ে গতকাল আদালতে মামলা করলে বিচারক ওই আদেশ দেন।