ছাত্রলীগের মহানগর কমিটি বাতিল করতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ছাত্রলীগের মহানগর শাখার কমিটি বিলুপ্তের আদেশ চেয়ে আদালতে মামলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সদর জ্যেষ্ঠ সহকারী জজ আদালতে মামলা করা হয়েছে। সহকারী জজ (ভারপ্রাপ্ত) এইচএম কবির হোসেন গ্রহণ শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য রেখেছেন।
মামলায় বিবাদীরা হলো-মহানগর শাখার সাবেক আহবায়ক জিয়াউর রহমান জিয়া, যুগ্ম আহবায়ক সমর দাস, মিজানুর রহমানসহ ওই কমিটির এবং বিভিন্ন ওয়ার্ড শাখার নেতাকর্মীরা।
বিবাদীরা হলো-ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সম্পাদক নাজমুল আলম সিদ্দিকী, মহানগর শাখার জসিমউদ্দিন ও অসীম দেওয়ান।
আদালতে দেয়া বর্নণায় উল্লেখ করা হয় ২০১১ সালের ৯ জুলাই মহানগর শাখায় বিবাদী জসিমউদ্দিনকে সভাপতি ও অসীম দেওয়ানকে সম্পাদক করে কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সম্পাদক নাজমুল আলম সিদ্দিকী কমিটি ঘোষনা দেয়।
কিন্তু ঘোষিত কমিটির মেয়াদ ছাত্রলীগের গঠন তন্ত্র অনুযায়ী এক বছর। ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্য পদ পাওয়ার বয়স সীমা ২৭ বছর অতিক্রম করেছে। এছাড়াও গঠন তন্ত্রের বিভিন্ন ধারা লংঘন করে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়নি। এতে নেতৃত্ব সৃষ্টির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। তাই সৃষ্টিশীল নেতৃত্বের অভাবে ছাত্রলীগের ভবিষ্যৎ অন্ধকারাছন্ন হয়ে পড়েছে। মেয়াদউত্তীর্ন কমিটি নির্ধারিত সময়ে মহানগরের ওয়ার্ড শাখার কোন কমিটি গঠন করেনি। মেয়াদ উত্তীর্ন এই কমিটি গত ২৮ জুন বে-আইনী ও অবৈধভাবে ছাত্রলীগের মহানগর শাখার ২১ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করেছে। তাই সাবেক ও বর্তমান নেতারা ছাত্রলীগের মঙ্গল কামনায় নতুন কমিটি করে নেতৃত্ব সৃষ্টির জন্য কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক এবং মহানগরের সভাপতি ও সম্পাদককে ২১ নং ওয়ার্ড কমিটি আইনী নোটিশের মাধ্যমে তিন কার্য দিবসের মধ্যে বাতিলের অনুরোধ করে।
কিন্তু তারা কোন কার্যক্রম না নিয়ে নগরীর ৪ ও ৬ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠনের পায়তারা করছে। এতে ছাত্রলীগের অপুরণীয় ক্ষতির আংশকায় আইনী নোটিশের পর বাদী ও বিবাদী নগরীতে বৈঠক করে।
বিবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সম্পাদক মহানগরের সভাপতি ও সম্পাদকের বে-আইনী এবং অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধের জন্য বাতিল করবে না বলে বাদী পক্ষকে জানিয়ে দেয়। তাই আদালতের শরনাপন্ন হয়েছেন তারা।