ছদ্মবেশে মাইক্রোবাসে চাঁদাবাজী

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকায় গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস আটকে রেখে চাঁদাবাজীর অভিযোগ মিলেছে। গত ৩/৪ দিন ধরে প্রকাশ্যে এমন চাঁদাবাজীতে মেতে উঠেছে একটি চক্র। লাঠিসোটা হাতে নিয়ে নিজেদের কখনও বাস মালিক সমিতির সদস্য আবার কখনবা টোল আদায়কারী হিসেবে পরিচয় দিয়ে এমন চাঁদাবাজী করছে বলে জানায় অভিযোগকারীরা। বিভিন্ন অজুহাত তৈরি করে প্রতি মাইক্রোবাস থেকে ২০০/৫০০টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করেছে তারা এবং না দিলে গাড়ি ভাংচুর সহ চালক ও যাত্রী লাঞ্ছিত করে চাঁদাবাজ চক্র বলেও জানায় অভিযোগকারীরা। তবে বেশ কয়েকদিন ধরে এমন ঘটনা বারবার ঘটলেও তা প্রশাসনের হস্তক্ষেপের অভাবে বেপরোয়াপনায় পরিণত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের। ভূক্তভোগী একাধিক ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালক তাদের বিস্তারিত অভিযোগে পরিবর্তনকে জানায়, বরিশালে প্রায় ৫ শত মাইক্রোবাস ভাড়ায় চালছে। ঈদ উপলক্ষে ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালকরা যাত্রী বহনে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে সক্রিয় হয়েছে একটি চক্র। চক্রটি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের ঝালকাঠি কাউন্টারের সামনের রাস্তায় কালিজিরা ও গাবখান সেতুর টোল ঘরের সামনে ও দপদপিয়া সেতুর টোলঘর সংলগ্ন পূর্ব পার্শ্বে ওৎপেতে থাকে। রাত ২টার পরে যাত্রী রিজার্ভ নিয়ে যাওয়ার সময় উল্লেখিত স্থানগুলোতে পথরোধ করে চক্রটি। ৮/১০ জনের চক্রটি লাঠিসোটা হাতে নিয়ে গাড়ী থামানোর সংকেত দেয়, না থামালে চলন্ত গাড়িতেই হামলা চালায়। মাইক্রোবাস থামানো মাত্রই তারা নিজেদের বাস মালিক সমিতির অথবা টোল ঘরের লোক পরিচয়ে ঝামেলা পাকানোর নানা বাহানা তৈরি করে। এর মধ্যে একটি হল লোকাল গাড়ি যাত্রী পরিবহন না করার বিষয়। বর্তমানে বরিশালের কোন ভাড়ায় মাইক্রোবাস লোকাল যাত্রী বহন করে না বলে জানায় অভিযোগকারীরা। তাই এমন মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে টাকা চায় চক্রটি। টাকা না দিলে ভাংচুর করে হুমকি দেয় ও চালককে মারধর করে তারা। অতঃপর চালকসহ যাত্রীদেগর মালামাল ছিনিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেয়। এই চক্রের সদস্যরা সবাই যার যার স্থানীয় ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী বলেও জানা গেছে। তাই ঈদের পূর্বে এমন পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য প্রসাশনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বরিশালের ভাড়ায় মাইক্রোবাস চালকরা।