চৌমাথা, নথুল্লাবাদ ও কাশিপুরে রাস্তা ও ফুটপাত দখলদার উচ্ছেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ নগরীর চৌমাথা, নথুল্লাবাদ ও কাশিপুর এলাকার রাস্তা ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখলদার হকার-স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নগর ভবনের নির্বাহী হাকিম ইমতিয়াজ মাহামুদ জুয়েলের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান করা হয়। র‌্যাব-পুলিশের সহায়তায় স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়া হয়। এছাড়াও অবৈধভাবে গাড়ী পার্কিয়েরও জন্যও জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে বিভিন্ন দোকানোর সামনের অংশের অবৈধ শেড খুলে নেওয়া হয়, মালামাল জব্ধ করা হয়। বিভিন্ন দোকানের অবৈধ অংশ, সীমানা প্রাচীরও সরিয়ে ফেলার জন্যও তাৎক্ষনিকভাবে নির্দেশ দেয়া হয়।
অভিযান সম্পর্কে মেয়র আহসান হাবিব কামাল জানান, এই নগরী সকলের। সুতরাং এই নগরীকে সুন্দর ও যানজটমুক্ত করে রাখার দিকেও সকলকে সচেতন থাকতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে হকারদের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে ফুটপাত এমনকি রাস্তাও প্রায় দখল হয়ে গেছে। এই অবস্থায় নগরবাসীর হেটে চলাচলেরও উপায় নেই। নগরবাসী যাতে এই অবস্থা থেকে পরিত্রান পেতে পারেন সেজন্য আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-পুলিশসহ নির্বাহী হাকিমের নেতৃত্বে অভিযান হয়েছে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে সুরাহা করতে পারব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মেয়র কামাল।
নির্বাহী হাকিম ইমতিয়াজ মাহামুদ জুয়েল জানান, এক শ্রেণীর ব্যবসায়ীরা নগরীর প্রায় সড়কের ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করে। সাধারণ মানুষের চলাফেরার অসুবিধা নিরসনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন, রোড ইনেসপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, সালাউদ্দিন আহমেদ, মোঃ আনোয়ার ও রাজিব।
সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র জানায়, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক, ড্রেন ও ফুটপাতে অবৈধ স্থাপনা ও ভ্রাম্যমান দোকান বসায় হকাররা। এতে ফুটপাত এমনকি রাস্তাও বেদখল হয়ে যায়। ফলে পথচারী ও যান চলাচলে বিঘœ ছাড়াও শহরের সৌন্দর্যহানী ঘটছে। মালামাল বহনেও ভোগান্তির শিকার ক্রেতা-বিক্রেতারা। প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনারও শিকার হতে হয় অনেককে। নগরী পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে নিজ দায়িত্বে মালামাল সরিয়ে নিতে বেশ কয়েকবার তাগিদ দিলেও তাতে কর্নপাত করছে অবৈধ দোকানদাররা।