চালু হচ্ছে রুপাতলী’র “সারফেজ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট”

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বিদ্যুত সংযোগ নিয়ে জটিলতা কাটিয়ে শীঘ্রই চালু হচ্ছে কীর্তনখোলা নদী থেকে সংগ্রহ করা পানি বিশুদ্ধকরনের পর সরবরাহের “সারফেজ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট”। সিটি কর্পোরেশন বকেয়া বিল পরিশোধ’র অঙ্গীকার করায় বিদ্যুত সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওজোপাডিকো সংযোগ দিতে রাজি হয়েছে। প্লান্ট নির্মান বাস্তবায়নকারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর চালুর পর ৬ মাস বিল পরিশোধ করবে। এরপর থেকে বিল পরিশোধ করবে বিসিসি।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও বরিশাল সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও ড্রেনেজ প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০১২ ও ২০১৩ সালে নগরবাসীর পানির চাহিদা মেটাতে কীর্তনখোলা নদীর পাড়ে দুটি সারফেজ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়। নগরীর বেলতলায় ১৯ কোটি টাকা ব্যয়ে এবং রুপাতলীতে ২৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি সারফেজ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এর কাজ দুই বছর পূর্বে শেষ হয়েছে।
কীর্তনখোলা নদীর পানি নিয়ে এ দুই প্লান্টে শোধন করে প্রতিদিন নগরীতে তিন কোটি লিটার পানি সরবরাহ করা সম্ভব। কিন্তু ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ ও ২ সিটি করপোরেশনের কাছে বকেয়া পাওনার দাবিতে সংযোগ না দেয়ায় প্লান্ট দুটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বৈঠক হলেও সংটের সমাধান হয়নি। তবে সাম্প্রতি বিসিসি বকেয়া বিলের কিছু টাকা পরিশোধ করেছে। বাকি বকেয়া বিল পরিশোধের অঙ্গীকার করেছে। তাই ওজোপাডিকো সংযোগ দিতে রাজি হয়েছে।
ওজোপাডিকো সুত্র জানিয়েছে, রুপাতলীর প্লানটিতে সংযোগ দেয়ার সিদ্বান্ত হয়েছে। চালু হওয়ার পর প্রথম ৬ মাস জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিল পরিশোধ করবে। এরপর মাস থেকে বিল পরিশোধ করবে।
বিসিসি’র পাঁচ লাখ নগরবাসীর জন্য পাঁচ কোটি ৫০ লাখ লিটার বিশুদ্ধ পানির প্রয়োজন। বর্তমানে উৎপাদন করতে পারছে দুই কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার লিটার পানি।ধারণ ক্ষমতা না থাকায় নগরীর বর্ধিত এলাকার বিশাল এক অংশ বাদ দিয়ে বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে এক কোটি ৫০ লাখ লিটার পানি।