চরামদ্দি বাজারের বৃদ্ধের দোকান ভেঙ্গে লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বাকেরগঞ্জের চরামদ্দি বাজারে সরকারি জমিতে ৫০ বছর ধরে ব্যবসা করা বৃদ্ধ ফজলুল হক সিকদারের দোকান ঘর ভেঙ্গে লুট করা হয়েছে। চরামদ্দি ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চুন্নুর বাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি দাবি করে সেক্রেটারী বাদল কর্মকার ও সন্ত্রাসী কবির সিকদার আওমীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে ফজলুল হক সিকদারে টিন সেট নিয়ে যায়। ইউপি চেয়ারম্যান বড় ভাই মোশারেফ সিকদারের ছেলে ভূমিদস্যু বাপ্পী ঐ জমির বাজারের ফজলুল হক সিকদারে ঘর ভেঙ্গে নিয়ে ঘরের মাঝ খান দিয়ে জোর করে পাকা দালান ঘর নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বাপ্পীর সাথে আলাপ কালে তিনি জানান আমাকে বাজার উন্নয়ন কমিটি জমি দিয়েছেন। আমার কোন পারমিশন লাগে না। আমি বাজার উন্নয়ন কমিটির কাছে আবেদন করেছি। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমির কোন অনুমতি না নিয়ে বাজার উন্নয়ন কমিটির ৩ থেকে ৪ লক্ষ টাকা পজেশন বাবদ বাজারের পুরাতন দোকানদারদের ঘর ভেঙ্গে নিজেদের ইচ্ছা মত যা ইচ্ছা তাই করেছে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ কালে তিনি জানান অত্র বাজারে ১ একর ৪০ শতাংশ জমি আমাদের। আমরা বাজার মিলিয়েছি। ঐ জমি সরকার একর করে নিয়ে হাট বাজারের নামে প্রতি বছর ইজারা প্রদান করে। হাট বাজার উন্নয়ন কমিটি অত্র বাজারে শতাধিক দোকানদারদের উপর জোড় জুলুম করে এমন কি ভিটা ছেড়ে দিতে হবে। এ মর্মে তাদেরকে চাপ প্রয়োগ করে সন্ত্রাসীরা। ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চুন্নু বাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি হয়ে ফজলুল হক সিকদারকে দুর্বল পেয়ে তার ভাইয়ের ছেলে বাপ্পীকে জমি দখল দিয়ে ঘর নির্মান করায় এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ফজলুল হক সিকদারের ছেলে এ্যাডভোকেট তাজ উদ্দিন সিকদার বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ এর বরাবরে ২৯-০৫-২০১৫ ইং তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এছাড়াও বাকেরগঞ্জ উপজেলার সহকারি কমিশনার ভূমি বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। ভূমি কর্মকর্তা সর্ভেয়ারের মাধ্যমে অত্র বাজারে পাকা ঘর নির্মানের বিষয়ে নিষেধ করা সত্যেও ভূমি কর্মকর্তার নিষেধ অম্যান্য করে। ইউপি চেয়ারম্যান গড ফাদার মিজানুর রহমান চুন্নু ভাইয়ের ছেলে বাপ্পীকে ঘর উত্তোলন করায় কর্যক্রম চালিয়ে যেতে বলেন। এ ব্যাপারে সহকারি কমিশনার ভূমির সাথে আলাপ কালে তিনি আজ চরামদ্দি বাজারে আসবেন বলে জানিয়েছেন। কোন প্রকার সরকারি সম্পত্তিতে এসি ল্যান্ডের নির্দেশ ছাড়া দোকান ঘর নির্মান করা যাবে না। এ মর্মে নোটিশ প্রদান করেছেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চুন্নু প্রকাশ্যে দম্ভোক্তি দেখিয়ে বলেছেন, আমি এই এলাকার চেয়ারম্যান। আমার নির্দেশ অনুসারে এখানে কাজ চলবে। প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না।