চরমোনাই থেকে এসএমসিসহ ডাকাত সদস্য আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ পুলিশের কাছে অস্ত্র বিক্রি করতে এসে ধরা পড়েছে আন্ত জেলা ডাকাত চক্রের সদস্য। গতকাল বৃহস্পতিবার আটককৃত ডাকাত সদস্য মামুন মুন্সী (৪৫) কোতয়ালী মডেল থানার চৌকষ এসআই দেলোয়ার হোসেন হাওলাদারের নেতৃত্বে পুলিশের দলের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র সাব মেশিন কারবাইন (এসএমসি) বিক্রি করতে এসে আটক হয়। সে সদর উপজেলার চাঁদপুরা ইউপির খন্তাখালী গ্রামের করিম মুন্সীর ছেলে। তার কাছ থেকে ভয়ংকর আগ্নেয়াস্ত্র সাব মেশিন কারবাইন (এসএমসি) ছাড়াও দুইটি ম্যাগজিন এবং দুটি বন্দুকের কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, আন্ত জেলা ডাকাতের ওই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের জন্য ছদ্মবেশ ধারন করেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের সাথে ঘনিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহসহ চক্রের সদস্যদের কাছে পৌছানোর চেষ্ঠা করা হয়। এক পর্যায়ে চক্রের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেনার প্রস্তাব দেন। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে বন্দুক ও এসএমসি বিক্রির কথা জানায়। সেই জন্য চক্রের ঘনিষ্টজনের মাধ্যমে এসএমসি কেনার জন্য ৮০ হাজার টাকা দেয়। টাকা পেয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের চরমোনাই ইউপির রাজার চর বাজারে এসে অস্ত্র দেয়ার কথা জানায়। সেই অনুযায়ী থানার এএসআই খোকন চন্দ্র দে ও তাজমুল এবং কনষ্টেবল আনিচ ও শহীদুলকে নিয়ে রাত ৯ টায় সেখানে যায়। সাড়ে ৯ টার দিকে কনষ্টেবল আনিচ ডাকাত মামুনের কাছ থেকে অস্ত্র নিতে যায়। একটি বাজারের ব্যাগে তুষের মধ্যে ভরা এসএমসি দেয়ার সাথে সাথে আনিচ তার হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে দেয়। তখন মামুন পালানোর চেষ্ঠাকালে অন্যান্যরা এসে তাকে ঘিরে ফেলে। আটককৃত মামুনের সাথে চক্রের সদস্য চরামদ্দির জলিল ও নগরীর ধানগবেষনা রোডের খলিল এসেছিলো। তারা নিরাপদ দুরত্বে থাকায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি বলে এসআই দেলোয়ার জানিয়েছেন। এই চক্রের কাছে আরো আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। সেগুলি উদ্ধারের জন্য আটককৃত মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এছাড়াও তার সাথের ডাকাত সদস্যদের পরিচয় উদ্ধার করে গ্রেপ্তারের চেষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন এসআই দেলোয়ার। এই ঘটনায় মামলা হবে জানিয়েছেন এসআই দেলোয়ার।