চরফ্যাশনের শশীভূষণে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি

চরফ্যাশন প্রতিবেদক ॥ চরফ্যাশনের শশীভূষণ থানার আনজুরহাট বাজার সংলগ্ন নাংলাপাতা গ্রামের কামাল খলিফার বাড়িতে অভিনব কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার গভীর রাতে ১০/১২ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল ঘরে ঢুকে বাসিন্দাদের মারধর করে নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্নালংকার লুট করে নিয়েছে। এ সময় ডাকাতদলের হামলায় গৃহকর্তা এবং গৃহকত্রীসহ ঘরের ৫ সদস্যের সকলেই আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গৃহকর্তা কামাল খলিফা এবং স্ত্রী আয়েশা বেগমকে চরফ্যাশন হাসপাতাল ভর্তির পর বরিশাল শেবাচিমে রেফার করা হয়েছে। দুই মাসের শিশুসহ আহত অপর ৩ জনকে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও গৃহকর্তা গুরুতর অসুস্থ থাকায় মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি বলে থানা সূত্র থেকে জানান হয়েছে।
আনজুর হাট বাজার সংলগ্ন কামাল খলিফার বাড়িতে একটি মাত্র ঘর। ওই ঘরের ৫ সদস্যের মধ্যে একমাত্র পুরুষ গৃহকর্তা। তার দুই পুত্র প্রবাসী। সোমবার গভীর রাতে স্থানীয় চেনা-জানানা এক যুবক বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে পাকা বসত ঘরের চারপাশে সন্দেহ জনক ভাবে ঘুরপাক করতে থাকে। খোপের হাস-মুরগী বা গাছের ফল চুরির উদ্দেশ্যে এই যুবকের আগমন সন্দেহে গৃহকর্তা দরজা খুলে ঘর থেকে বের হতে গেলেই ওৎপেতে থাকা ১০/১২ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল ঘরে ঢুকে লোকজনকে নির্বিচারে মারধর করে। ঘরের দু’মাসের শিশুকে হত্যার হুমকী দিয়ে স্বর্নালংকার এবং নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকাসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। ডাকাতদলের মারধরে শিশুসহ ঘরের ৫ সদস্যের সকলে আহত হয়। গুরুতর আহত গৃহকর্তা কামাল খলিফা এবং তার স্ত্রী আয়েশা বেগমকে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তির পর বরিশাল শেবাচিমে পাঠানো হয়েছে। কিশোর পুত্র এমরান, পুত্র বধূ রোকসানা এবং দুই মাসের শিশুকে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। ঘটনার পর রাতে শশীভূষণ থানা পুলিশ কামাল খলিফার বাড়ি পরিদর্শন করেছেন। শশীভূষণ থানার অফিসার ইন চার্জ সামসুল আরেফীন জানান, আক্রান্ত পরিবারের লোকজন গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসার জন্য বরিশাল রয়েছেন। এ কারণে আইনী প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। তবে ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অপরাধীদের চিহ্নিত এবং গ্রেফতারে পুলিশী তৎপরতা শুরু করা হয়েছে।