গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির যাত্রা শুরু আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সকল সুবিধা পাবে শিক্ষার্থীরা- চেয়ারম্যান গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সকল সুবিধা গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (জিইউবি) শিক্ষার্থীরা পাবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা গ্রহণের রাজধানীমুখী ও ব্যয়বহুল ধারনা পাল্টে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন জিইউবি’র ট্রাস্ট্রি বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দা আরজুমান বানু নার্গিস। গতকাল শুক্রবার জিইউবি’র সামার সেমিষ্টারের পাঠদান শুরু উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের দিক-নির্দেশনামূলক সভায় ওই মন্তব্য করেন তিনি।
চেয়ারম্যান সৈয়দা আরজুমান বানু নার্গিস শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এনে পাঠদান করা হবে। শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়নে যা প্রয়োজন, সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে শিক্ষার্থীদের জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।
অনুষ্ঠানের সভাপতি সৈয়দা আরজুমান বানু নার্গিস গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি দেশের মধ্যে অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
তিনি আরো বলেন, নগরীর মধ্যম আয়ের অভিভাবকদের কথা ভেবে জিইউবি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তাদের শুধু ছেলে সন্তানই নয়, কন্যাদের উচ্চ ও উন্নত শিক্ষায় শিক্ষিত করে নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরির লক্ষ্যে জিইউবি’র কাজ করে যাবে বলে জানিয়েছেন চেয়ারম্যান।
বিশেষ অতিথি ভিসি প্রফেসর ড. অজয় কুমার দাস বলেন, এখানে শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তারা গবেষণামূলক শিক্ষা সম্পন্নের সুযোগ পাবে। এখানের শিক্ষার্থীদের ইংরেজী ও কম্পিউটারের উপর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সভায় আরো বক্তব্য রাখেন ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ও লালমাটিয়া মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর তপন কুমার বল ও রেজিষ্ট্রার মো. রেজাউল করিম প্রমুখ।
নগরীর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ এলাকায় শের-ই-বাংলা সড়কের সিটি ক্যাম্পাসে গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি যাত্রা শুরু করলেও দোয়ারিকা সেতু এলাকায় ২০ একর জমির উপরে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করা হবে।
গ্লোবাল ইউনিভার্সিটিতে ¯œাতক পর্যায়ে বিবিএ, বিএসসি ইন সিএসই, বিএসসি ইন সিএসসি (ডিপ্লোমা ধারীদের জন্য), এলএলবি (্অনার্স), বিএসসি ইন ইইই (ঊঊঊ) এবং বিএসসি ইন ইইই (ডিপ্লোমা ধারীদের জন্য) প্রোগ্রামের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করেছে বিশ^বিদ্যালয়। ¯œাতকোত্তর এমবিএ (বিবিএ ডিগ্রিধারীদের জন্য ), এমবিএ ( এক্সিকিউটিভ) এবং এলএলএম (এলএলবি’তে ¯œাতকদের জন্য) শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমও রয়েছে। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রিধারী ৩০ জন দক্ষ শিক্ষককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ শিক্ষার্থী বান্ধব সকল সুযোগ সুবিধার সিটি ক্যাম্পাসে রয়েছে ৩০ টি আধুনিক শ্রেণি কক্ষ, ৩ টি কম্পিউটার ল্যাব, ২ টি ইইই (ঊঊঊ) ল্যাব, ১ টি ক্যাফেটরিয়া, ২ টি লাইব্রেরী, ছেলে ও মেয়েদের পৃথক পৃথক কক্ষ এবং ১ টি কনফারেন্স কক্ষ। ৫ তলা ভবনের এ ক্যাম্পাসের ৩য়, ৪র্থ, ও ৫ম তলা একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ওই ভবনের পাশে ৩০ হাজার স্কয়ার ফুটের সিটি ক্যাম্পাসের অপর একটি ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। সার্বক্ষনিক নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ছাড়াও সিসিটিভি ক্যামেরা থাকবে।
চলতি সেমিস্টারে (সামার) মে-আগস্ট ৩০০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ফল সেমিস্টার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর) এবং স্প্রিং (জানুয়ারি-এপ্রিল) এ ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের জন্য নগরীর বটতলা এলাকায় ২টি ছাত্রাবাস রয়েছে, যেখানে ৩০০ শিক্ষার্থী থাকতে পারবে। এছাড়া দ্রুত বিশ^বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা চালু করা হবে।