গীর্জা মহল্লায় কসমেটিক্স দোকানে হামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীর হেমায়েত উদ্দিন সড়ক (গীর্জা মহল্লায়) এর উলফত শপিং সেন্টারের একটি প্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগ পরিচয়ে হামলা এবং ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ঐ দোকানের কাচের গ্লাস ভাংচুর, মালামাল তছনছ এবং দোকান মালিককে মারধর করেছে সন্ত্রাসীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে। রাতেই মহানগর পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে কাউকে আটক করতে পারেননি তারা।
উলফত শপিং সেন্টারের টপ কালেকশন নামের কসমেটিক্স’র দোকানের মালিক আবুল বাশার জানান, তাদের দেশের বাড়ি উজিরপুরে। বাড়ির একটি জমি নিয়ে একই এলাকার আবুল কাশেম, শহীদ, খায়রুল, ইমরুল, লালন, সামসুল হক এবং সুমনদের সাথে বিরোধ চলে আসছে। এ নিয়ে দায়েরকৃত একটি মামলায় গত ২৫ আগস্ট আদালত থেকে খালায় পায় উল্লেখিত আসামীরা।
তিনি জানান, তারা জামিন পাওয়ার পর থেকেই মামলা পরিচালনার জন্য যে অর্থিক ব্যয় হয়েছে তার ক্ষতিপূরন হিসেবে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছে। গতকাল রাতে হঠাৎ করেই বরিশাল সরকারী বিএম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে মামলার আসামী লালন, খায়রুল এবং ইমরুলের নেতৃত্বে ৬/৭ জন সন্ত্রাসী দোকানের মধ্যে ঢুকে তার কাছে দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে বলে। মামলার বাদীর ভোট ভাই এবং স্বাক্ষি আবুল বাশার’র উপর অতর্কিত হামলা এবং দোকানে ভাংচুর শুরু করে। এক পর্যায় মালামাল তছনছের পাশাপাশি কাচের গ্লাস ভাংচুর করে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার গোলাম আব্দুর রউফ, মডেল থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন সহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, নগরীর কাউনিয়া এলাকার বাসিন্দা লালন। সে বিএম কলেজ কথিত ছাত্রলীগ নেতা নূরুল আম্বিয় বাবু’র সহযোগী। এ কারনে সে বিএম কলেজ ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। লালন এর সাথে কলেজের কেন্টিন পরিচালনাকারী শুভ সহ অন্যান্যরা জড়িত রয়েছে। এছাড়া খায়রুল এবং ইমরুল নগরীর হাতেম আলী কলেজ চৌমাথা এলাকার বিহ্নিত ছিনতাইকারী বলে দাবী করেন হামলার শিকার দোকান মালিক আবুল বাশার।