গলায় ফাঁস দেয়া পৃথক ৩ লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নগরীতে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় মৃত তিন জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার উদ্ধার করা মধ্যে এক গৃহবধূ, এক ছাত্রী ও যুবকের লাশ। তারা হলো- নগরীর মুসলিম গোরস্তান রোডে গৃহবধূ ঝুমুর বেগম (২০), ছয় মাইল এলাকার ছাত্রী নুসরাত জাহান তামান্না (১৯) ও কসাইখানা রোড এলাকার মৎস্য শ্রমিক পলাশ হাওলাদার (২০)।
কোতয়ালী মডেল থানার এসআই মালেক জানান, গৃহবধূ ঝুমুর গোরস্থান রোড এলাকার ফুসকা ব্যবসায়ী মো. জামাল খন্দকারের স্ত্রী। স্বামী এবং শ্বশুড়-শ্বাশুড়ির সাথে গোরস্থান রোডের ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। সকালে বাসার সকলে কাজের উদ্দেশ্যে বের হয়। ঘরে একা থাকা ঝুমুর ঘরের আড়ার সাথে বিদ্যুতের ক্যাবল পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। প্রতিবেশিরা তার ঝুলন্ত মৃত দেহ দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
পারিবারিক কলহ ছিলো না বলে জানিয়ে প্রতিবেশিরা আতœহত্যার বিষয়টি রহসজনক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
তবে এসআই মালেক দ্বিমত পোষন না করে বলেন, ময়না তদন্ত প্রতিবেদন এলে নিশ্চিত বলা যাবে।
কোতয়ালী মডেল থানার এসআই এআর মুকুল জানান, নগরীর ৬ নং ওয়ার্ড মাদ্রাসা রোড (কশাইখানা) এলাকা থেকে পোর্ট রোড মৎস্য শ্রমিক পলাশ হাওলাদারের (২০) লাশ উদ্ধার করা হয়। সে ওই এলাকার কাদের মিয়ার ভাড়াটিয়া কালাম হাওলাদার ছেলে। সে বাসায় ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যার কারণ কেউ জানাতে পারেনি।
বিমানবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) মতিয়ার রহমান জানান, কাশিপুরের ছয় মাইল এলাকা থেকে উদ্ধার করা ছাত্রী তামান্না মো. ইকবাল হোসেনের কন্যা। এসএসসি পরীক্ষার পর হত বছর নাসিং ইনষ্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করে। এরপরে সে ভর্তি হয়নি। এই বছর আবার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এই কারণে বাবা ইকবাল দুঃখ প্রকাশ করে। এতে সে নিজ কক্ষে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।