গতানুগতিক নিয়মে কীর্তনখোলা ড্রেজিং শুরু

চন্দন জ্যোতিঃ কীর্তনখোলা নদীতে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ড্রেজিং। গত বছরের চেয়ে এ বছর প্রায় ৪০ হাজার ঘনমিটার বেশি ড্রেজিং করা হবে। গতকাল বরিশাল নৌ-বন্দরের সভাকক্ষে এক প্রস্তুতি সভায় এ কথা জানানো হয়। ড্রেজিং মনিটরিংয়ের জন্য গঠন করা হয়েছে ৮ সদস্যের একটি মনিটরিং কমিটি। এসব কিছুই চলছে অনেকটা গতানুগতিক নিয়মে প্রতিবছর কীর্তনখোলার ড্রেজিংয়ের জন্য বিশাল অঙ্কের বরাদ্দ থাকলেও তার অধিকাংশ টাকাই যায় ড্রেজিং বিভাগ সহ সংশ্লিষ্ট কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের পকেটে। দায়িত্ব পালনেও তেমন দেখা যায় মনিটরিং কমিটিকে কত ঘনফুট মাটি বা বালু ড্রেজিং করা হয়েছে তার সঠিক বাস্তবে থাকলেও কাগজে কলমে থাকে সঠিক। বন্দর সংশ্লিষ্ট কারো কারো মতে জানা যায়, এতো ডেজিং নয় আসছে ঈদের জন্য নিজেদের পকেটভারী করার একটা উপায়। অন্যদিকে নদীর মাঝখানে ডেজিংর মাটি বা বালু ফেলার সিদ্ধান্তে কারো কারো বিরূপ মনোভাব দেখা গেছে। নিয়মানুযায়ী ড্রেজিং’র মাটি বা বালু নদীর তীরবর্তী দূরে সুবিধাজনক স্থানে জাইক করে ফেরা। অথচ সেসব নিয়ম উপেক্ষা করে মাঝনদীতে ফেলে কীর্তনখোলা নদীকে আরো হুমকির মধ্যে ফেলে দেয়া হচ্ছে। এ যেন এক পুরানো সেই বুলি শুভঙ্করের ফাকি। এদিকে বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহীদ উল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয় ৩বছর কীর্তনখোলা নদীর বিভিন্ন অংশে ১লাখ ৬০হাজার ঘনফুট ড্রেজিং করা হবে। তাছাড়া ড্রেজিং মনিটরিং’র জন্য বন্দর কর্মকর্তাকে আহবায়ক করে ৮সদস্যের একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হয়। এই টিম নিয়মিত ড্রেজিং মনিটরিং’র দায়িত্ব পালন করবে। নদীর উত্তর অংশের ড্রেজিং’র মাটি বালু রসুলপুর চরে এবং বন্দরের পন্টুন সংলগ্ন অংশে ড্রেজিং’র মাটি মাঝ নদীতে ফেলা হবে বলে জানানো হয়। নদীর মাঝ বরাবর বর্তমানে ৮০ফিট গভীরতা এবং ¯্রােত থাকায় তেমন কোন অসুবিধা হবে না বলে ড্রেজিং বিভাগ জানায়। বর্তমানে পন্টুনের সামনের অংশে গভীর নি¤েœ সাড়ে ৩ফুট আর উর্ধ্বে ৭ফুট। ইতিমধ্যে বিআইডব্লিউটিএর নিজস্ব ড্রেজার ১৩৯ বরিশালে আসছে। সভায় জেলা প্রশাসন, বিআইডব্লিউটিসি নৌ-বন্দরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।