খাদ্য অধিদপ্তরে দরপত্র জমা দানে গুছ পার্টিদের বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ নিলাম দরপত্র গুছ করাকে কেন্দ্র করে খাদ্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর বরিশাল কার্যালয়ে ঠিকাদারদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল বুধবার নগরীর বান্দ রোডের ভাটারখাল এলাকায় জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর স্থানীয় কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। পরে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, সম্প্রতি বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় খালি ড্রাম, হালপাত, হেসিয়ান ও খালি বস্তা নিলামে দরপত্র আহবান করা হয়। এর পর থেকেই নিলাম টেন্ডারটি গুছ প্রকৃয়ায় হাতিয়ে নিতে পরিকল্পনা করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুল ইসলাম ওরফে পেটকাটা মনির।
এদিকে উম্মুক্ত নিলামের জন্য সাধারন ঠিকাদাররা ১৩টি দরপত্র সংগ্রহ করেন। সে অনুযায়ী গতকাল বুধবার দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিনে সকাল থেকেই খাদ্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকে সাধারন ঠিকাদাররা। কিন্তু আ’লীগ নেতা মনির ও তার টেন্ডারবাজ বাহিনীর বাধায় সাধারন ঠিকাদাররা দরপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হন।
সাধারন ঠিকাদাররা অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই আ’লীগ নেতা মনির তার টেন্ডারবাজ বাহিনী নিয়ে খাদ্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়ের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নেয়। সাধারন ঠিকাদাররা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে মনির তাদের নিলাম দরপত্র ছিনিয়ে নেয় এমনকি ধাক্কা ধাক্কি এবং দেখে নেয়ার হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ সাধারন ঠিকাদারদের। এ সময় সাধারন ঠিকাদারদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করে। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে গেলে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে উভয় পক্ষকে নিয়ন্ত্রন করেন।
জানতে চাইলে বরিশাল জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন কার্যালয়ের আঞ্চলিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, কার্যালয়ের ভেতরে দরপত্র জমা দেয়া নিয়ে কোন ঝামেলা হয়নি। তবে শুনেছি বাইরে ঠিকাদারদের মধ্যে একটু উত্তেজনা হয়েছিলো। কিন্তু পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এনেছে। তিনি আরো বলেন, কেউ চাইলেই নিলাম টেন্ডার গুছ করতে পারবে না। কারন শুধুমাত্র বরিশালেই নয়। বিভাগের প্রতিটি জেলায় নিলাম দরপত্র গ্রহন করা হয়েছে।