কীর্তনখোলায় সুরভী-৯ ও পারাবত-১০ লঞ্চের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন যাত্রীবাহী সুরভী-৯ ও পারাবত-১০ লঞ্চের প্রায় ৬ হাজার যাত্রী। দুটি লঞ্চের সংঘর্ষে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলো লঞ্চ দুটির যাত্রীরা। শুক্রবার রাত পৌনে ৮ টার দিকে কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই নামক স্থানে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় লঞ্চে থাকা হাজার হাজার যাত্রীরা প্রাণে বাচতে ডাক-চিৎকার শুরু করে। দেখা দেয় সকলের মাঝে আতঙ্ক। সুরভী-৯ লঞ্চের যাত্রী বিশিষ্ট লেখক ও কবি আনোয়ার সাদাত জানান, বরিশাল ঘাট থকে ছেড়ে চরমোনাই পয়েন্ট অতিক্রমকালে আকস্মিকভাবেই দুটি লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় আতঙ্কিত যাত্রীরা ডাক-চিৎকার শুরু করে। পরে লঞ্চ দুটি যে যার মতো চালিয়ে গেলে কিছুক্ষন পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়। পারাবত-১০ লঞ্চের মাষ্টার শামীম আহমেদ জানান, সুরভী -৯ লঞ্চ তাদের পেছনে ছিলো। কীর্তনখোলা নদীর চরমোনাই এলাকা পৌছালে সুরভী-৯ লঞ্চটি বেপরোয়া গতিতে তাদের অতিক্রম করার চেষ্টা চালায়। এসময় পারাবত-১০ লঞ্চের বামপাশে পানি কমছিলো বলে তারা পাশে যেতে পারেননি। এরফলেই হঠাৎ করে দুই লঞ্চের মাঝে দূরত্ব কমে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তিনি জানান, এরফলে লঞ্চের কেবিনের কয়েকটি টেলিভিশন পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সুরভী -৯ লঞ্চের সুপারভাইজার রব মিয়া জানান, কেউ কাউকে ধাক্কা দেয়নি। পাশাপাশি চলাচলের সময় এমনটা ঘটেছে। তবে এতে কোন ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। এদিকে লঞ্চদুটিতে প্রায় ৬ হাজার যাত্রী রয়েছে বলে জানাগেছে। এ বিষয়ে বরিশাল বিআইডব্লিউটির নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের উপ-পরিচালক আবুল বাশার মজুমদার জানান, লঞ্চ দুটির ধারন ক্ষমতা আড়াই হাজারের বেশি হলে ও ঈদের সময় এতে যাত্রী কিছুটা বেশি ছিলো।