কাল বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ আগামী কাল ১৯ মার্চ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বরিশাল আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা। এ লক্ষে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সকল প্রকার আয়োজন। ঐদিন বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শৈবাল কান্তি চৌধুরী।
এদিকে মাস ব্যাপী এই মেলার মাঠে দেশি-বিদেশি পণ্যের পাশাপাশি প্রস্তুত করা হয়েছে যাত্রা-জুয়ার মঞ্চ। ঐতিহ্যবাহী সার্কাসের সাথে আয়োজন শেষ হয়েছে বিচিত্রা অনুষ্ঠান এবং র‌্যাফেল ড্র’র। যাত্রা ও বিচিত্রা অনুষ্ঠানের মঞ্চে ইতোমধ্যে এসে পৌচেছে নর্তকীরাও।
সূত্রমতে, গত প্রায় একমাস যাবত নগরীর বান্দ রোডে বিআইডব্লিউটিএ’র মেরিন ওয়ার্কশপ মাঠে আয়োজন চলছিলো আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলার। বরিশাল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এর আয়োজনে বানিজ্য মেলার উদ্বোধনের সময়ের ঘন্টা অবশেষে বেজেছে।
বরিশাল চেম্বার অব কর্মাস’র পরিচালক ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এটিএম শহীদুল্লাহ কবির জানান, মেলা উদ্বোধনের সময় সূচী নির্ধারন করা হয়েছে। কোন প্রকার বাধা বিপত্তি না আসলে আগীকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। চেম্বার সভাপতি এবং উপজেলা চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুর সভাপতিত্বে এক বণ্যার্ঢ আনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মাস ব্যাপী এই বানিজ্য মেলার শুধু উদ্বোধন ঘোষনা করবেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শৈবাল কান্তি চৌধুরী। মেরিন ওয়ার্কশপ মাঠে মেলা প্রঙ্গনে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
এটিএম শহীদুল্লাহ কবির আরো জানান, মেলায় একশটি স্টল থাকবে। যেখানে বাংলাদেশি এবং ইরানী পন্য ও ব¯্র সামগ্রী বিক্রি হবে। তবে নামে আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা হলেও এখানে আসেনি বিদেশী কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এছাড়া মেলায় আগত দর্শনার্থিদের বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী সার্কাস খেলা, মৃত্যু কুপ মোটর সাইকেল, বর্নিল রং এর পানির ফোয়ারা, নাগরদোলা, দৃষ্টি নন্দন টাওয়ার। এর পাশাপাশি বাড়তি বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিচিত্রানুষ্ঠান, যাত্রাপালা এবং হাউজি খেলা। মেলার উদ্বোধনী দিনে প্রবেশ টিকেট ফ্রি হতে পারে বলেও জানান চেম্বার পরিচালক এটিএম শহীদুল্লাহ কবির। তবে জুয়ার আয়োজন করা হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে অনিহা প্রকাশ করেন।
তবে মেলার আয়োজক কমিটির বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেন, মেলায় হাউজি এবং র‌্যাফেল ড্র’র পাশাপাশি ওয়ান টেন, সুটিং, চরকা সহ সকল প্রকার জুয়ার আয়োজন করা হয়েছে। যে অশূøীল যাত্রা জুয়া বন্ধের দাবীতে নগরীর সুশীল সমাজ শেষে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নেমে আন্দোলন করেছে সেই নগরীতেই যাত্রা জুয়ার আয়োজনে সাধারন এবং শুশিল সমাজকে ভবিয়ে তুলেছেন। তারা যাত্রার নামে কোন প্রকার অশীøলতা ও জুয়ার আসর পরিচালনা না করার আহবান জানান।