কালবৈশাখী ঝড়ে জনজীবনে ছন্দপতন

বিশেষ প্রতিবেদক ॥ মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধানেই দক্ষিনাঞ্চলের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়ে মৌসুমের দ্বিতীয় দফার মাঝারী মাত্রার কালবৈশাখীতে জনজীবনে ছন্দপতন ঘটে। গতকাল দুপুর ১২টা পরে বরিশালে সাড়ে ৩মিলিমিটার বৃষ্টিপাত সহ দমকা আকারে প্রায় ২০কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ায় ঘন্টা খানেক জনজীবন স্তব্দ হয়ে যায়। এসময় বরিশাল মহানগরী সহ দক্ষিনাঞ্চলের বেশীরভাগ এলাকাতেই বিদ্যুৎ সরবারহও বন্ধ ছিল। অথচ মাত্র ২৪ঘন্টা আগেই মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশায় দক্ষিনাঞ্চলের সড়ক ও নৌযোগাযোগ অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। চৈত্রের ঐ কুয়াশা রবি ফসলের জন্য ছিল ঝুকিপূর্ণ।
আবহাওয়া বিভাগের মতে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। অপর একটি লঘুচাপ উত্তর বঙ্গোপসাগর সহ সন্নিহিত এলাকায় রয়েছে। পাশাপাশি মৌসুমী লঘুচাপ দক্ষিন বঙ্গোপ সাগরে সক্রিয় রয়েছে। বরিশাল ও খুলনা সহ সমগ্র উপকূলীয় এলাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়া সহ ঝড়ো হাওয়া এবং বজ্র বৃষ্টির সম্ভবনার কথা জানিয়ে দিনের তাপমাত্রা হৃাস পাবার সম্ভবনার কথা বলে আবহাওয়্ াবিভাগ।
গত ৪৮ঘন্টায় বরিশালে দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ডিগ্রী সেলসিয়াস থেকে সাড়ে ৬ডিগ্রী বৃদ্ধি পেয়ে গতকাল সকালে ২১.৫ডিগ্রী সেলসিয়সে উন্নীত হয়। অপরদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গত ৪৮ঘন্টায় অস্বাভাবিকভাবে ওঠা নামা করেছে। বৃহস্পতিবার ৩০.৩ডিগ্রী থেকে শুক্রবার ৩ডিগ্রী সেলসিয়াস হ্রাস পেয়ে ২৭.৩ডিগ্রী সেলসিয়াসে স্থির হলেও গতকাল তা আবার ৩০.৫ডিগ্রীতে উন্নীত হয়। তবে আজকের পরবর্তি ৪৮ঘন্টায় দিনের তাপমাত্রা আবার হ্রাস পাবার সম্ভবনার কথা জনিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।