কাউনিয়া থানার জাটকা বিক্রি !

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ জাটকা বিক্রির মহা উৎসবে মেতেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। আর স্বয়ং ওসির নেতৃত্বে এই কাজ করছেন থানার টাইগার খ্যাত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বশির উদ্দিন। এমনই অভিযোগ পাওয়া গেছে থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে থেকে। তবে তাদের জাটকা বিক্রির মশনে আরো কিছু সদস্য ও প্রমোশন পাওয়া এএসআই জড়িতে রয়েছেন বলেও গোপন সূত্র নিশ্চিত করেছেন। এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে গত কদিনের অনুসন্ধানে। অনুসন্ধ্যানে পাওয়া তথ্য মতে, গত ১৭ এপ্রিল সন্ধ্যার পর তালতলী নদী থেকে একটি জাটকা মাছের ট্রলার আটক করে এএসআই বশির সহ অনান্য এএসআইরা । ট্রলারটিতে ২৫ ব্যারেল জাটকা থাকলেও বশির মাত্র ৩ ব্যারেল জাটকা ভেঙ্গে ৯ ব্যারেল করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তা বিভিন্ন এতিমখানা ও মাদরাসায় বিতরন করে জাটকা মালিককে ৫ হাজার টাকা জরিমানার মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। আর সেই ২৫ ব্যারেলের ২২ ব্যারেল জাটকা মাত্র ৮০ হাজার টাকায় ঘটনা স্থানে বসেই বিক্রি করে। সেই টাকার ১৫শ করে ভাগ পায় এএসআই নাছির, মূছা ও আমিনুল। বাকি টাকা ওসি মাহবুব সেকেন্ড অফিসার আলমগীর আর ঘটনার নায়ক টাইগার খ্যাত বশির উদ্দিন অপর দিকে গতকাল সকালেও একই ভাবে তালতলী নদী থেকে এক ট্রলার ভর্তি জাটকা আটক করে সেই আলোচিত টাইগাত বশির। জাটকা মাছের মালিক মহাবাজের নাছির মোল¬া। সেই জাটকা নদীতে বসেই বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকায় আর এ বানিজ্যের দালালী করে জাটকা বিক্রেতা আমানতগঞ্জের কালু ও মিরাজ। এ বিষয় ওসি মাহবুব বলেন ১৭ এপ্রিলের ঘটনা জানি তবে গতকালের বিষয় আমার (ওসি) জানা নেই। কিন্তু ১৭ এপ্রিলের বিষয় কি জানে তা জানায়নী ওসি। এসি কাউনিয়া শাহনাজ পারভিন বলেন বিষয়টি আমার জানা নেই অবশ্যই জেনে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করব।