কাউখালীতে আ’লীগের পকেট কমিটির প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন

কাউখালী প্রতিবেদক॥ কাউখালী উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নের পকেট কমিটির বিরুদ্ধে গতকাল মুজিব চত্ত্বরে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির নেতাকর্মীরা। তারা বক্তব্যে বলেন, এলাকার তৃণমুল নেতাকর্মীদের অজ্ঞাতে উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ ছিদ্দিকুল ইসলামের বাসায় বসে উপজেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজস্ব কিছু লোকজনের নাম লিখে কমিটি গঠন করেছে। ইউনিয়ন কমিটিও তাদের নিজস্ব লোক ও তাদের ব্যাক্তিগত লোকের নাম লিখে ইউনিয়ন কমিটি করেছে। কাউখালী উপজেলার সকল অঙ্গসংগঠনের নেতৃত্ব স্থানীয়দের কোন প্রকার যোগাযোগ  করে নাই। এরূপ কর্মকান্ডের জন্য গত উপজেলা নির্বাচনে উপজেলা চেয়াম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর পরাজিত করেছে। বর্তমান উপজেলা আওয়ামীলীগ দীর্ঘদিন দলীয় কর্মকান্ড ও সভা সমাবেশ না করায় দলীয় অবস্থান দারুন নাজুক। বক্তরা আরো বলেন, তৃণমূল নেতা কর্মীরা তাদের এহেন কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করা হয়। কাউখালীর জনগন তাদের কর্মকান্ডে দারুন হতাশ। আওয়ামীলীগ সংগঠন এখন নি¯প্রাণ। সভাপতি সব সময় ঢাকায় অবস্থান করেন। দলীয় কোন কার্যক্রমে তাকে পাওয়া যায় না। সভাপতি ছিদ্দিকুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন তালুকদার এর আমলে জাতীয় দিবস পালন হয় না। সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি এ্যাড আব্দুস  শহীদ, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এ,কে,এম আউয়াল, কৃষি সম্পাদক হারুন অর রশীদ লাভলু তালুকদার, কৃষকলীগ সভাপতি ইউনুস আলী খান, যুবলীগ সভাপতি প্রভাষক অলোক কর্মকার, সমবায়লীগ যুগ্ম আহবায়ক মানিক লাল কর, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক শেখ নিয়াজ আহম্মেদ, ছাত্রলীগ সভাপতি মাহাফুজুর রহমান শাওন, সাধারণ সম্পাদক ইউনুস খান এবং ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও কাউখালী সদর চেয়াম্যান আমিনুর রশীদ মিল্টন প্রমুখ। সাংবাদিক সম্মেলন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে নেতাকর্মীরা। মিছিলে শ্লোগান ছিল ছিদ্দিকের কালোহাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও। দিলুর পকেট কমিটি মানিনা মানবো না।