কর্মে ফেরার যুদ্ধ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ বরিশাল নদী বন্দর থেকে গতকাল ১৪টি নৌ-যানে ৪০ হাজারের বেশি যাত্রী ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। নৌ-যান গুলোর মধ্যে ১২টি লঞ্চ এবং ২টি স্টিমার  ছিল । বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায় আজ ও আগামীকাল সর্বোচ্চ যাত্রী চাপ থাকবে, সেই সাথে নৌ-যানের সংখ্যাও ৩/৪টি বাড়বে। এদিকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন লঞ্চ ঘুরে দেখা গেছে লঞ্চগুলো ছিলো কানায় কানায় পূর্ণ। ডেক শ্রেণীতে একটু বসার জায়গা পাওয়া ছিলো অতি কষ্টসাধ্য। তবে ২০-৫০ টাকার বিনিময়ে কেবিনের বারান্দা সহ টয়লেটের আশপাশেও যাত্রীদের বসে থাকতে দেখা গেছে। একদিকে ভ্যপসা গরম অন্যদিকে অধিক ভিড়ে যাত্রীরা অনেকে হাঁপিয়ে ওঠে। লঞ্চগুলোতে ছিলো না বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা।  কেবিনের বারান্দায় একটু বসার জন্যও ভাড়া বাদে অতিরিক্ত ২০-৫০ টাকা আদায় করা হয়েছে। লঞ্চের অফিসগুলোতে বহু পূর্বেই কেবিনের টিকিট শেষ হলেও বন্দরে দেখা গেছে, অধিক টাকার বিনিময়ে কালো বাজারীদের কাছে তা অনায়াসে মিলছে। তবে গতকাল বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহীদ উল্লাহ’র হাতে এক কালো বাজারী ৮টি কেবিনের টিকিট সহ হাতে নাতে ধরা পড়ে। আলাউদ্দিন নামে ঐ কালোবাজারী নিজেকে ঘাট শ্রমিক লীগ নেতা বলে দাবী করে। কপরে তাকে পুলিশের কাছে তুলে দেওয়া হয়। অন্যদিকে রাত পৌনে ৮টা থেকে রাত ৯টার মধ্যে সকল লঞ্চ বন্দর ত্যাগে বাধ্য করেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ঝালকাঠী থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা সুন্দরবন-২ এ মাত্রাতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যাবার সময় বরিশাল বন্দর কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু যাত্রী ঘাটে নামাতে বাধ্য করে এবং পরে ছেড়ে দেয়। অন্যান্য বছর গুলোর তুলনায় এ বছর ঈদ পরবর্তী গত দুই দিনে বন্দরের ব্যবস্থাপনায় অনেকটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে এক্ষেত্রে বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহীদ উল্লাহ ছাড়া অন্যান্য কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অনেকটা অবহেলা লক্ষ্য করা গেছে। বন্দরে যাত্রী সেবায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রোভার স্কাউটসহ স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর তৎপরতা দেখা গেছে।