একদিনে ২৭ জনকে কামড়ে আহত এবার চলন্ত মোটরসাইকেল চালকের পায়ের মাংস ছিড়ে নিলো কুকুর

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ এবার চলন্ত মোটরসাইকেলকে ধাওয়া করে চালকের পায়ের মাংস কামড় দিয়ে ছিড়ে নিলো বেওয়ারীশ কুকুর। ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ড রোড এলাকায় ঘটেছে। কুকুরের কামরে গুরুতর আহত হওয়া ব্যক্তির নাম এসএম সাইদুল আলম সুহাদ। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক সায়েম শরীফ এর ছোট ভাই। শুধু তাকেই নয়, গতকাল এক দিনে দুপুরের মধ্যে কুকুরের কামড়ে আহত ২৭ ব্যক্তি সদর হাসপাতালে এন্ট্রি ডগ ভ্যাক্সিন গ্রহন করেছেন।
আহত সাইদুল আলম জানান, সকালে তার শিশু কন্যাকে স্কুলে পৌছে দিয়ে বাসায় ফিরছিলেন। ঠিক তখন ব্রাউন কম্পাউন্ড সড়ক হয়ে নিজ বাসার গলিতে প্রবেশের সময় একটি বেওয়ারীশ কুকুর তাকে ধাওয়া করে ডান পায়ে হাটুর নিচে কামড়ে ধরে। মোটর সাইকেল যতদুর চালিয়ে গেছেন কুকুরটিও পায়ের মাংস কামড়ে ধরা অবস্থায় ততদুর পর্যন্ত গেছে। পরে মোটর সাইকেল থামিয়ে পায়ে ঝাড়া দিলে পায়ের বিশাল অংশ জুড়ে মাংস কামড়ে নিয়ে কুকুরটি পালিয়ে যায়। পরে চিকিৎসক এর স্মরনাপন্ন হয়ে ভ্যাক্সিন গ্রহন করেছেন।
সাইদুল আলম বলেন, ব্রাউন কম্পাউন্ড এলাকায় ইদানিং বেওয়ারীশ কুকুরের সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কোন মানুষ সেখান থেকে কুকুরের বাঁধা উপেক্ষা করে চলতে পারছে না। মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা এমনকি অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচল করলেও তার পেছনে পেছনে ধাওয়া করছে কুকুরগুলো। কিন্তু দিনে দিনে বেওয়ারীশ কুকুরের সংখ্যা বাড়লেও এর বিরুদ্ধে নেয়া হচ্ছে না কোন ব্যবস্থা। শুধু তাই নয়, কুকুর নিধন বন্ধ থাকলেও ভ্যাক্সিনের ব্যবস্থা করছে না সিটি কর্পোরেশন। ইতিপূর্বে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিন এর ব্যবস্থা থাকলেও সেখানেও ভ্যাক্সিন সরবরাহ নেই। যে কারনে হাজার হাজার টাকা ব্যয় করে ভ্যাক্সিন কিনতে হচ্ছে কুকুরের আক্রমনের শিকার মানুষদের।
তিনি বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার এক দিনেই সদর হাসপাতালে ২৭ জন কুকুরে কামড়ে আক্রান্ত মানুষ ভ্যাক্সিন গ্রহন করেছেন। এভাবে প্রতিদিনই কুকুরের আক্রমনের শিকার হতে হচ্ছে নগরবাসীকে।