উজিরপুরে গুঠিয়ায় কাজী ফার্মের পচা ডিম বাজারে বিক্রি

সরদার মাইনুল, উজিরপুর॥ উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের নারায়নপুরের কাজী ফার্মের ক্যান্ডেল (বাওয়া)-পচা ডিম বাজারে বিক্রি হচ্ছে অবাধে। সমগ্র বাংলাদেশে গড়ে ওঠা এ ফার্মটি পূর্ব থেকেই প্রতিষ্ঠিত। ২০০৯সালে এরই একটি শাখা গড়ে ওঠে গুঠিয়া নারায়নপুরে। এখানেও প্রচুর বিস্তার লাভ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানাগেছে পঞ্চগড় থেকে ডিম এনে ইনকিউবেটর মেশিনের সাহায্যে ২১দিনে ৫০৪ঘন্টায় তাপ প্রয়োগ করে মুরগীর বাচ্চা ফুটানো হয়। বাচ্চা ফুটানোর জন্য ৪৮টি মেশিন রয়েছে। প্রতিটি মেশিনে ১৯২০০ডিমে একসাথে তাপ দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে ৫০৪ঘন্টা তাপ দেওয়ার পরে কিছুু ডিমে বাচ্চা ফুটেনা ঐ ডিমগুলো ক্যান্ডেল (ব্ওায়া) নামে পরিচিত। আসলে বাওয়া ডিম গুলো সাধারণত নষ্ট হয়ে থাকে। ফার্মটি চালু থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ডিলার নিয়োগের মাধ্যমে ডিমগুলো বাজারজাত করে থাকে। ডিলাররা এ কাজী ফার্মে কর্মকর্তাদের যোগসাজসে ক্যান্ডেল বাওয়া -পচা এ ডিমগুলো প্রতিটি ৪.৫০টাকা দরে ১৮শ শত হিসাবে কিনে ডিলাররা অধিক মুনাফার আশায় বরিশালের বিভিন্ন আরৎ, বেকারী ও বাজারগুলোতে সরবরাহ করে থাকে। সাধারণত বাজারে যে ভাল ডিম পাওয়া যায় এর চেয়ে ঐ বাওয়া ডিমের মূল্য কম থাকায় বিভিন্ন বেকারীর মালিকরা কিনে বিভিন্ন ধরনের রুটি, কেক ও বিস্কুটে মিশ্রিত করে থাকে। ঐ সব সুস্বাদু খাবারগুলো শিশু সহ সকল মানুষই খেয়ে থাকে। এ গুলো খেয়ে তাদের শরীরে দেখা দেয় বিভিন্ন রকমের ব্যাধি। এলাকাবাসী আরও জানায় চিকিৎসকদের মতে ঐ সকল বাওয়া-পচা ডিম খেলে মানবদেহে বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হয়ে ডায়রিয়া, বমি সহ নানাধরনের ঝুকিপূর্ণ রোগ হতে পারে। এ ব্যপারে নারায়নপুর কাজী ফার্ম শাখার ব্যবস্থাপক সঞ্জয় সাহা জানিয়েছেন, আমাদের এখান থেকে বাওয়া ডিম কোথাও বিক্রি হয় না। এ ডিমগুলো ক্যামিক্যালের সাহায্যে বিনাশ করা হয়।