ঈদে নগরীর নিরাপত্তার কাজ করছে ১৪ শ’ পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ঈদে নগরীর নিরাপত্তায় পুলিশের ১ হাজার ৪ শ’ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, পশুর হাট এবং বাজার ও শপিংমল এলাকায় তাদের বেশি তৎপরতা থাকবে। পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের নারী ও পুরুষ পুলিশ সদস্যরা অপরাধীকে চিহ্নিত করাসহ এদের প্রতিরোধে সক্রিয় থাকবেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, মূলত ঈদ-কোরবানীসহ ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করে। ধারাবাহিকতা এবারের বজায় থাকবে। পুলিশ সদস্যরা স্বাভাবিক ’র চেয়ে বাড়তি হিসেবে তল্লাশী চৌকি স্থাপন করে। এছাড়াও টহলেও তারা সক্রিয় থাকে। সন্দেহজনক ব্যক্তি বা যানবাহনের গতিবিধি নজরদারী করছে তারা।
পুলিশ কমিশনার বলেন, জঙ্গি হামলা বা এ ধরনের কোন বিষয়ে আশঙ্কা করছি না। তবে জঙ্গি’র বিষয়টি নিয়ে পুলিশ সব সময় বাড়তি সর্তকতা নিয়ে থাকে। তিনি বলেন, ঈদের জামাতকে ঘিরে সাদা ও পোশাকধারী পুলিশ থাকবে। পাশাপাশি মেটাল ডিটেক্টরও থাকবে। ঈদগাহ ও ঈদের জামাতকে ঘিরে পুলিশের টহল জোরদার থাকবে। এসএম রুহুল আমিন বলেন, নগরীর বিভিন্ন স্থানে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। এর সর্বোচ্চ ব্যবহার আমরা নিশ্চিত করবো। মানুষ সচেতন হয়েছে, এরইমধ্যে অনেক মার্কেট-বাসাবাড়িতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। লঞ্চেও সিসি ক্যামেরা রয়েছে। যা অপরাধীদের সনাক্ত করতে কাজে আসছে। পশুর হাটের বিষয়ে তিনি বলেন, হাটের ইজারাদারদের নিয়ে বৈঠক হয়েছে। গরুর হাটের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি ইজারাদারতের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। হাটে সিসি ক্যামেরা বসাতে বলা হয়েছে। অন্তত প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথে সিসি ক্যামেরা বসানোর জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন, জাল টাকা সনাক্তে মেশিন রয়েছে। পাশাপাশি হাটে মোটা-তাজা করণ পশুর উপস্থিতি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। আর পশু ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাকে জোর করা যাবে না। কোন হাটে জোর করে পশু নামানো যাবে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে টোল আদায় করা হয়, সেসব স্থানেও নজরদারী রাখা হচ্ছে। যাতে পশু বহনকারী যানবাহনগুলো থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা না হয়। নগরবাসীকে নিরাপদ ঈদ উপহার দেয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন পুলিশ কমিশনার এসএম রুহুল আমিন।