ঈদের ছুটি শেষে এবার কর্মস্থলে ফেরার যুদ্ধ ।। আজ বরিশাল বন্দরে নৌ-মন্ত্রী

চন্দন জ্যোতি॥ পবিত্র ঈদ-উল-আযহা’র ছুটি শেষে মানুষের শুরু হয়েছে কর্মস্থলে ফেরার যুদ্ধ। তাই বরিশাল নদী বন্দর আর বাস টার্মিনাল গুলো এখন যাত্রীদের ভীড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে। গত মঙ্গলবার ঈদের ছুটি শেষ হলে গতকাল থেকেই ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশ্যে বরিশাল ছাড়তে শুরু করে নানা পেশাজীবী শ্রেণীর মানুষ। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌ-বন্দর, নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে যাত্রীদের ভোগান্তির যেন কোন অন্ত ছিল না। যেমন লঞ্চগুলোতে কেবিনের টিকেট তো অনেক দুর্লভ বস্তু তার ওপর ডেক শ্রেণীর একজনের শোবার জন্য টিকেট বাদে দিতে হয়েছে ৩০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেশি। তৃতীয় শ্রেণীর ভাড়া ৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ২৫০ টাকা করা হয়েছে। লঞ্চের অফিস গুলোতে কেবিনের টিকেট পাওয়া না গেলেও অধিক টাকার বিনিময়ে তা অনায়াসে পাওয়া গেছে। গতকাল বরিশাল থেকে ৬টি লঞ্চে প্রায় ১২ হাজারের মত যাত্রী ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করে বলে জানান নৌ বন্দর কর্মকর্তা মোঃ শহিদ উল্যাহ। তিনি জানান, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার যাত্রীর সর্বোচ্চ চাপ থাকবে। যাত্রীদের নিরাপত্তায় বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছে সেই সাথে র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড ব্যাটালিয়ান, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে বন্দরের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, কর্মস্থল মুুখি যাত্রীদের যাত্রা নির্বিঘেœ করতে আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বরিশাল নৌ-বন্দরে অবস্থান করবেন নৌ ও পরিবহন মন্ত্রী মোঃ শাজাহান খান। তিনি লঞ্চের ছাদে যাত্রী বহন ও অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকবেন। পরে তিনি নৌ বন্দরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করবেন। অন্যদিকে রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল যাত্রীদের কাছে থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে। নথুল্লাবাদ বাস স্টান্ড থেকে কাওরাকান্দি (মাওয়া) পর্যন্ত ঝূকিপূর্নভাবে চলছে মাইক্রোবাস সার্ভিস। দেড়শ টাকার ভাড়া  ৩’শ টাকা করে রাখলেও প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নিরব ভূমিকা পালন করছে। ছুটি শেষ তাই যোগ দিতে হবে কর্মস্থলে ফলে যত ভোগান্তিই হোক না কেন সব কিছু মেনে নিয়েই ফিরছেন মানুষ। মন যেতে নাহি চায়, তবুও যেতে হবে।