ঈদকে সামনে রেখে কৌশলী পন্থায় নগরীতে মজুদ হচ্ছে মাদক

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ঈদ উৎসবকে সামনে রেখে নগরীতে কৌশলী পন্থায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে মাদক বিক্রেতারা। এদের নিত্য নতুন কৌশলী পন্থায় আইনশৃংখলা বাহিনী সফলতা ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের মধ্যেও ঢাকাসহ উপকুলীয় ও সীমান্তবর্তী জেলা-উপজেলা থেকে অভিনব পন্থায় বিদেশী মদ, ইয়াবা, গাঁজা ও ফেন্সিডিল এনে মজুদ করা হচ্ছে। নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, কিশোর, তরুনসহ এখন তরুনীরাও মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়েছে। তাই যে কোন উৎসবে নগরীতে মাদকের চাহিদা বেড়ে যায়। এই সুযোগটি গ্রহন করে মাদক ব্যবসায়ীরা। মোটা অংকের মুনাফা বানিজ্য করতে উৎসবের পূর্বে মজুদ শুরু করে। নগরীতে মাদক সেবীদের কাছে চাহিদার শীর্ষে থাকা ইয়াবা ও ফেন্সিডিলের বড় বড় চালান এনে মজুদ করা হচ্ছে। নগরীতে কুয়াকাটা, আমতলী, বরগুনা ও মাওয়া হয়ে আসছে ইয়াবা। পরিবহন শ্রমিক, প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা ও আইনশৃংখলা বাহিনীর বিপথগামী সদস্যদের সহায়তাসহ বেসরকারী কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ইয়াবা এনে মজুদ করা হচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে ও বিভিন্ন যানবাহনে অভিনব পন্থায় লুকিয়ে যশোর, বেনাপোল, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া থেকে আনা হচ্ছে ফেন্সিডিল। ঈদে এসব মাদক অধিক মুল্যে সেবীদের কাছে পৌছে দেয়া হবে। নগরীর চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত পাইকারী ব্যবসায়ীরা কারান্তরীন থাকলেও তাদের সহযোগিরা এসব মাদক মজুদ করেছে। কারাগারে থেকে মজুদ করাসহ খুচরো বিক্রেতা তৈরি করছে তারা। এছাড়াও নগরীর চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী জেল থেকে জামিনে বের হয়ে এসব মাদক এনে মজুদ করছে। যাদের সাথে গভীর সখ্যতা রয়েছে প্রশাসনসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের। তাই বেপরোয়া মাদক ব্যবসায়ীরা ঈদে নগরীর পরিস্থিতিকে ভয়ংকর বলে জানিয়েছেন সুশীল সমাজের বাসিন্দারা। মাদক প্রতিরোধে বিশেষ তৎপরতার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বরতরা একই অঙ্গিকার ব্যক্ত করে জানান, নগরীর উৎসব হবে অবশ্যই মাদক মুক্ত। মাদক নির্মুলে প্রতিনিয়তই তারা কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ইয়াবা নির্মুলে শতভাগ তৎপর তারা। তাই ঈদেও তাদের বিশেষ অভিযান চলবে।