ইয়াবাসহ আটক ডিবির কনস্টেবল বরখাস্ত সাংবাদিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ আবাসিক হোটেল থেকে ইয়াবাসহ আটক অভিযানের ঘটনায় ডিবি পুলিশের কনস্টেবল ও সাংবাদিকসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল সোমবার কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করে এসআই দেলোয়ার হোসেন। গত রোববার দিনগত গভীর রাতে নগরীর বিউটি রোডের আবাসিক হোটেল “সুখি” থেকে ডিবির কনস্টেবলসহ দুই জনকে ৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করা হয়। এছাড়াও তিনটি মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলো-মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত কনস্টেবল (কং/৮০৮) সুমন চন্দ্র হাওলাদার (৩৮) ও বান্দ রোডের স্টেডিয়াম কলোনীর বাসিন্দা আফজাল হোসেন হাওলাদার ওরফে আনোয়ার (৫৫)। কনস্টেবল সুমন তালতলী উপজেলার বেহালা গ্রামের শান্তি রঞ্জন হাওলাদারের ছেলে ও আফজাল ঝালকাঠি পৌর শহরের কাটপট্টি ট্রলার ঘাট এলাকার মৃত হাতেম আলী হাওলাদারের ছেলে ও নগরীর স্টেডিয়াম কলোনীর ভাড়াটিয়া।
অপর আসামীরা হলো- বন্দর থানাধিন সোমরাজী এলাকার বাসিন্দা হরিহর দেবনাথের ছেলে সুজন দেবনাথ (২৬), সুখি বোর্ডিং মো. মাকসুদ (৪০) এবং কথিত সাংবাদিক মো. আনোয়ার হোসেন।
এদিকে, ইয়াবাসহ আটক ডিবির কনস্টেবল সুমনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে মহানগর পুলিশের মুখপাত্র জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মো. আবু সাঈদ জানিয়েছেন।
এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানেন বিউটি রোডের আবাসিক হোটেল সুখিতে মাদক কেনা বেচা হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সোয়া একটার দিকে সেখানে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তিন মাদক ব্যবসায়ী মোটর সাইকেল ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থল থেকে সুমন ও আফজাল হোসেন ওরফে আনোয়ারকে আটক করা হয়। এ সময় সুমনের দেহ তল্লাশি করে আন্ডার ওয়ারের মধ্যে থেকে ৪৬ এবং আনোয়ারের পকেট থেকে আরো ৪ সহ ৫০ পিস ইয়াবা ও দুই গ্রাম ইয়াবার গুড়া উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বিউটি রোডের আবাসিক হোটেল সুখিতে মালিক মাকুসদ সহ তাদের সহযোগিরা দীর্ঘ দিন ধরে প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে পতিতাসহ ইয়াবা এবং ফেন্সিডিলের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।
অপরদিকে গতকাল সোমবার আটককৃত ডিবির কনস্টেবল সুমন ও আফজালকে জেলে পাঠিয়েছে আদালত।