ইউএনও সালমন’র বিরুদ্ধে মানহানি মামলা ও জেলে প্রেরন নিয়ে মন্ত্রী পরিষদ’র পাঁচ সদস্য’র তদন্ত কমিটির বাদী ও সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষ্য গ্রহন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বঙ্গবন্ধুর ছবি বিকৃত করার অভিযোগে সাবেক ইউএনও গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলা ও জেলে প্রেরন’র আদেশ নিয়ে মন্ত্রী পরিষদের পাঁচ সদস্য’র তদন্ত দল বাদী ও হাজত খানার পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষ্য গ্রহন করেছেন। গতকাল রোববার সকাল থেকে নগরীর সার্কিট হাউসে অবস্থান করে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছেন তারা। তবে তদন্ত সম্পর্কে কিছু বলতে রাজি হননি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের গঠিত দল’র সদস্য কর্মকর্তারা।
পাঁচ সদস্য’র তদন্ত দল’র প্রধান হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এম বজলুল করিম চৌধুরী। এছাড়া অন্য সদস্যরা হলেন-জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহমুদ হাসান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের যুগ্ম সচিব মো নূরুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব উম্মে কুলসুম এবং মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের উপ সচিব মো.শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী।
তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত সচিব এম বজলুল করিম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, তৎকালী আগৈলঝাড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে যে মামলাটি হয়েছে, আমরা তার প্রকৃত কারন খতিয়ে দেখছি। সরকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপালন কালীন সময়ে মামলাটি করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা প্রশাসকও তাকে কারন দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলেন। আদালতে পুলিশ তাকে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে হাজতে নিয়ে গেছেন। এসব বিষয় সহ আগে পরে ঘটে যাওয়া পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, তদন্তের সার্থে সকাল ১০টার দিকে সার্কিট হাউজে মামলার বাদি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ ওবায়েদ উল্লাহ সাজু, ঘটনার সময় আদালতে দ্বায়িত্ব পালনকরা পুলিশের ৬ সদস্য এবং ইউএনও তারিক সালমানের পক্ষের আইনজীবী মো. মোখলেসুর রহমান খানের সাথে কথা ঘটনার বিষয়ে কথা বলেছেন। তবে এর পূর্বে তদন্ত কার্যক্রম শুরুর পরে ঢাকায় আরো বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে ঘটনাটি নিয়ে কথা বলেছেন। পুরো কার্যক্রমে ঘটনা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানাগেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।