আবার সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকায় গত ২৫ আগস্ট লীড নিউজ ছিল ‘কাজীপাড়ায় জমি দখল নিতে, যুবককে বিদ্যুতের খাম্বায় বেধে শ্রমিক লীগ নেতার নির্যাতন’। সেখানে শ্রমিক লীগ নেতার নির্যাতনের ছবিও ছাপা হয়। কিন্তু কে বা কারা ওই নিউজের সাথে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর নাম জুড়ে দিয়ে এবং দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার লোগোসহ একটি পোস্টার তৈরী করে। সেখানে আরো লেখা হয়েছে সাদিক আব্দুল্লাহ ব্যানার ব্যবহার করে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যা দৈনিক কীর্তনখোলা পত্রিকার কর্তৃৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, সাদিক আব্দুল্লাহর ব্যবহার করে বাড়তি সুবিধা নিতে চেয়েছিল নির্যাতিত পরিবার। তাদের পক্ষ থেকে কেউ এ কাজ করেছে। কিন্তু মাইনুলের পরিবারের সাথে আলাপকালে জানা যায় তারা এ পোস্টার সম্পর্কে কিছুই জানেন না। ধারণা করা হচ্ছে সাদেক আব্দুল্লাহকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে একটি চক্র ষড়যন্ত্রমূলক এ কাজটি করেছে। সাদিক আব্দুল্লাহকে কোনভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে না পেরে তারা গোপনে থেকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এটাই তার একটি অংশ। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের একাধিক সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, সাদেক আব্দুল্লাহর জনপ্রিয়তায় দলের মধ্যে অনেকেই ঈর্ষান্বিত। সরাসরি কিছু না বললেও তারা পিছনে ষড়যন্ত্রে মেতেছে। এসব ছোটখাটো ষড়যন্ত্রে সাদিক আব্দুল্লাহর জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামানো সম্ভব নয়। এছাড়া নগরীর বিভিন্ন স্থানে সাদিক আব্দুল্লাহকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমরা সবকিছুই দেখতে পাই। কিন্ত সাদিক আব্দুল্লাহর সাব কথা দলের মধ্যে কোন বিভাজন থাকতে পারবে না। কেউ বিভাজন তৈরী করতে চাইলে তাকে বুঝিয়ে দলের সাথে সম্পৃক্ত রাখতে হবে। তার ধারাবাহিকতায় আমরা ষড়যন্ত্রকারীদের চিনতে পারলেও না চেনার ভান করে দলের সাথে কাজ করার উৎসাহ যোগাচ্ছি। আগামী মেয়র নির্বাচন নিয়ে এখন মহানগর আওয়ামী লীগ কাজ করছে। সেখানে মেয়র হিসেবে আমরা সাদিককে প্রার্থী দেয়ার জন্য কেন্দ্রে চিঠি দিয়েছি। এবং সে লক্ষ্যে কাজ করছি। ওই ছোটখাটো ষড়যন্ত্রে তেমন কিছুই হবে না। তারপরও যারা এ কাজটা করেছে তারা তাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখুক ভালো না খারাপ করেছে। এ ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানা সূত্র থেকে জানানো হয় লিখিত অভিযোগ পেলে পত্রিকার লেখাকে বিকৃত করার অভিযোগে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আইনের আশ্রয় নেয়া হবে।