আবারো টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংর্ঘষ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ প্রতিদিন কোন না কোন ঘটনা নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংর্ঘষে জড়াচ্ছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। গতকাল টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরিশাল সিভিল সার্জনের দেড় কোটি টাকার টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। এ হামলায় ৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে ছাব্বির নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। তার বাসা নগরীর কাউনিয়া এলাকায়। মঙ্গলবার সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মহানগর ছাত্রলীগ ও সাবেক ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ সেখানে অবস্থান নেয়ায় এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ শ্যামল চন্দ্র মন্ডল জানান, বরিশাল জেলার ২ হাজার ৫০টি ইপিআই সেশনের স্থায়ী চেয়ার, ফোল্ডিং টেবিল ও সাইনবোর্ড স্থাপনের লক্ষ্যে গত এপ্রিল মাসের ১ম সপ্তাহে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। এক কোটি ৩৩ লাখ টাকার এ কাজের জন্য তিনটি গ্রুপে প্রায় একশ সিডিউল বিক্রি হয়। মঙ্গলবার ছিল সিডিউল জমাদানের শেষ দিন। ঠিকাদাররা সিডিউল জমা দিয়েছে। বাইরে কোন ঝামেলা হয়েছে কিনা তা তার জানা নেই। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, কাজ তিনটি বাগিয়ে নিতে মাঠে নামে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন, কাজী মিলন, বাপ্পি, কানন, অন্তু, বৃন্দু, সাদ্দামসহ বেশ কয়েকজন। এদিকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সমর দাস, মিজানুর রহমান মিজান, শেখর দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সিডিউল জমা দেয়া ও প্রশাসনের অবস্থানের কারণে কাজ বাগিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়। এ নিয়ে ওই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ব্যাপারে মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, সাধারণ ঠিকাদারদের সিডিউল জমাদানে বাধাঁ দেয়া হয়েছে। পরে তারা একত্রিত হয়ে সিডিউল জমা দিয়েছে। কেউ কাজ বাগিয়ে নিতে পারেনি। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান মিজান জানান, তিনি সিডিউল জমা দিতে গিয়েছিলেন। এসময় মহানগর ছাত্রলীগের বাপ্পি, কানন, অন্তুরা বাধাঁ দেয়ার চেস্টা করেছিল। তবে তারা বাধাঁ উপেক্ষা করে সিডিউল জমা দিয়েছেন। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন জানান, একটু ঝামেলা হয়েছিল। পরে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করা হয়েছে।