আদালতে মারামারি কান্ডে জড়িত দুই কর্মচারীকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ অসৌজন্যমূলক আচরন করায় মূখ্য মহানগর আদালতের বেঞ্চ সহকারী ও স্টোর কিপারকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ একে এম ফজলুল হক এ নির্দেশ দেন। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে বেঞ্চসহকারি মোস্তাফিজুর রহমান ও স্টোরকিপার ফাতেমাতুজ জোহরা পিংকিকে কারন দর্শানোর নির্দেশ দেয়া হয়। আদালতের বিশ্বস্ত্র সূত্রে জানাগেছে, বরিশাল মূখ্য মহানগর আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোস্তাফিজ ও স্টোর কিপার ফাতেমা একই সাথে কাজের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ সম্পর্ক ফাতেমার চাচা ওই আদালতের সাবেক বিচারক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান সিকদার ও তার পরিবার মেনে নেয় নি। এর প্রেক্ষিতে তারা কথিত বিয়ের কথা প্রকাশ করে এক সাথে বসবাস শুরু করে। পরবর্তীতে বেঞ্চসহকারী মোস্তাফিজ গত ১ বৈশাখে পাওয়া ছুটিতে বাড়ি গিয়ে তার পরিবারকে প্রেমিকার কথা না জানিয়ে এবং প্রেমিকা ফাতেমাকে কিছু না বলেই বিবাহ করে। পরে কর্মস্থলে ফিরে আসে। এই বিবাহের কথা প্রেমিকা ফাতেমা জানতে পারলে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে বুধবার আদালতের কার্য শেষে এজলাসের মধ্যেই মোস্তাফিজকে মারধর করে ফাতেমা। এ ঘটনা আদালত পাড়ায় ছড়িয়ে পড়লে গতকাল বিচারক তাদের ওই নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য মূখ্য মহানগর আদালতের সাবেক বিচারক মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান সিকদার এর কর্মরত থাকাকালীন সময়ে মোস্তাফিজের চাকুরী হয়।