আগৈলঝাড়ায় অগ্নিকান্ডে পুড়েছে ১৫ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

আগৈলঝাড়া প্রতিবেদক॥ আগৈলঝাড়ায় পৃথক দুই স্থানে অগ্নিকান্ডে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। আগুন নিভাতে গিয়ে আহত হয়েছে ১০ জন। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান কোটি টাকার উপরে হয়েছে বলে সরকারীসূত্রে জানা গেছে। সংবাদ পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলা সদরে আগৈলঝাড়া বাজারে বিদ্যুতের শটসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পরলে লেলিহান শিখায় সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে কালাম বেপারীর বেডিং স্টোরের তুলার গোডাউন, ডাঃ খোকন কীর্ত্তনীয়ার হোমিও দোকান, অমল বৈরাগীর ফার্মেসী, ইউপি সদস্য আসাদ খলিফার বেডিং স্টোর, কবির ফকিরের গার্মেন্টস। এছাড়া তপন সুতারের টেইলার্স, তাপস সুতারের টেইলার্স, কবির আহম্মেদের কসমেটিক্স, উৎপল মন্ডলের টেইলার্স, আলমগীর বেপারীর কাপড়ের দোকান, লাভলু মোল্লার গার্মেন্টস ও মান্নান হাওলাদারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অগ্নিকান্ডে ভস্মিভূত হয়। অন্যদিকে একই রাতে উপজেলার বারপাইকা দুশমী বাজারে মাহবুব শাহ্’র মুদী দোকান, আইউব আলী মোল্লার মুদী দোকান, জামাল শাহ্’র সিমেন্টের দোকানসহ ২টি স্থানে ১৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত হয়েছে। আগুন নিভাতে গিয়ে ফরহাদ, মনির, উজ্জ্বল, স্বপন, আসাদ, বাবুল ও ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের গৌরনদী ও উজিরপুরের ২টি ইউনিট এবং স্থানীয়দের সহয়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। খবর পেয়ে গতকাল শনিবার সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. তালুকদার মো. ইউনুস, উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম মোর্তুজা খান, বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক, আগৈলঝাড়া নির্বাহী কর্মকর্তা দেবী চন্দ, গৌরনদী পৌর মেয়র হারিছুর রহমান হারিছ, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জসীম সরদার, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ইউসুফ মোল্লা, গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন লাল্টু, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাসসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ অগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত বাজার পরিদর্শন করেন। এসময় তাদের যথাসম্ভব সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দু:খ প্রকাশ করেছেন অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক এ্যাড. বলরাম পোদ্দার। স্থানীয় সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরকে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করার নির্দেশ দেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কোটি টাকার উপরে ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ব্যবসায়ী ও ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়সূত্রে জানা গেছে।